শনিবার সকালেই দিলীপ ঘোষ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনটি শব্দ লিখেছেন। ইংরেজিতে গেরুয়া রঙে দিলীপ লিখেছেন, 'OLD IS GOLD' বাংলা আর কিছুই নয়। 

আবারও বিতর্কিত মন্তব্য বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)। তবে আবার আর সংবাদ মাধ্যমের জন্য অপেক্ষায় থাকেননি দিলীপ। এবার নিজেরি সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যান্ডেলেই লিখেছেন মাত্র তিনটি কথা। যা নিয়ে শনিবার সকাল থেকেই উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। সম্প্রতি লোকসভা ভোটে তিনি হেরেছেন। তাঁর খাস তালুক মেদিনীপুরেও হেরেছে বিজেপি। তারপর থেকেই দিলীপ ঘোষ নাম না করে নিশানা করেছেন রাজ্য বিজেপির দুই নেতাকে। তাঁর নিশানায় সুকান্ত মজুমদার আর শুভেন্দু অধিকারী।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

শনিবার সকালেই দিলীপ ঘোষ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনটি শব্দ লিখেছেন। ইংরেজিতে গেরুয়া রঙে দিলীপ লিখেছেন, 'OLD IS GOLD' বাংলা আর কিছুই নয়। বাংলা করলে দাঁড়ায় - পুরনো জিনিস সোনার মতই । কিন্তু দিলীপের লেখা তিনটি শব্দ নিয়েই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। যদিও বিজেপি নেতারা এই কিছুই বলেননি। কিন্তু দিলীপের পোস্ট ভাইরাল। ইতিমঝ্যেই ৪২ হাজারের মেশি মানুষ দিপীলের পোস্ট দেখেছেন। আর ১৩শোর বেশি মানুষ তা পছন্দ করেছেন।

Scroll to load tweet…

অনেকেই বলেছেন দিপীল পোস্টে নিজের কথাই বোঝাতে চেয়েছেন। রাজ্য বিজেপির ইতিহাসে বিজেপি রাজ্য সভাপতি হিসেবে দিলীপ সবথেকে সফল। কারণ তার আমলেই লোকসভা নির্বাচনে সবথেকে বেশি আসন পেয়েছিল বিজেপি। দিলীপের আমলে বিজেপি ১৮টি আসন পেয়েছিল। এবার আরও বেশি আসন পাওয়ার কথা। কিন্তু এবার রাজ্য বিজেপিতে ধস। যদিও এবার নির্বাচনের দায়িত্বে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার আর শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেও এবার সুকান্তর থেকে শুভেন্দু অনেক বেশি কার্যকর ছিলেন বলেও বিজেপি সূত্রের খবর। প্রার্থী বাছাই থেকে শুরু করে প্রচার অনেকাংশে শুভেন্দুর মতামতকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছিল দিল্লির বিজেপি। আর সেই কারণে দিলীপের আসন বদল হয়েছে বলেও বিজেপি সূত্রের খবর। তাতেই প্রথম থেকেই বেজায় চটে ছিলেন বিজেপি নেতা। ভোটের ফল প্রকাশের পর একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে নাম না করেই তিনি নিশানা করছেন শুভেন্দু আর সুকান্তকে। কারণ এর আগে দিলীপ বলেছিলেন দলের অন্দরে রয়েছে কাঠিবাজ। সেই সময় তিনি বলেছিলেন তাঁকে কাঠি করেই মেদিনীপুর থেকে সরানো হয়েছে- সেটা সকলেই জানে। তিনি আরও বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত হয়েছে। তিনি বলেছিলেন, তিনি হারেননি, বিজেপি হেরেছেন। তাঁকে হারেতে গিয়ে মেদিনীপুরের আসনটিও হাতছাড়া হয়েছে বিজেপির।