একদিকে যখন নির্বাচারে গাছ কাটা হচ্ছে সভ্য়তার নামে, ঠিক তখন হাজার হাজার গাছ লাগিয়ে চলেছেন কোচবিহারের বিনয় দাস। আর গোটাটাই করছেন নিজ হাতে একা। ২৫ জানুয়ারি মন কি বাতে (Mann Ki Baat) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বিনয়ের কথা দেশবাসীকে জানিয়েছেন।

একদিকে যখন নির্বাচারে গাছ কাটা হচ্ছে সভ্য়তার নামে, ঠিক তখন হাজার হাজার গাছ লাগিয়ে চলেছেন কোচবিহারের বিনয় দাস। আর গোটাটাই করছেন নিজ হাতে একা। ২৫ জানুয়ারি মন কি বাতে (Mann Ki Baat) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বিনয়ের কথা দেশবাসীকে জানিয়েছেন। বিনয়ের এই মহৎ কাজের কথা আজ জানতে পেরেছেন সবাই। বিনয়বাবুর 'নেশা'বলতে একটাই, গাছ লাগানো।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

সেই ৩৫ বছর বয়স থেকেই তিনি গাছ লাগাতে শুরু করেন। বড় রাস্তার ধার, নদীর পাড়, জঙ্গল, বিনয়বাবুর গত ১৩ বছরের বেশি সময় ধরে কোচবিহার শহর ও তার আশপাশের এলাকায় সাড়ে ১৩ হাজারেরও বেশি গাছ লাগিয়েছেন। তবে, শুধু গাছ লাগানোই নয়, সঙ্গে গাছের পরিচর্যাও করেন তিনি। তাই কোচবিহারে তিনি 'সবুজ বিনয়' নামে পরিচিত।

কোচবিহার শহরের হাজরাপাড়া এলাকার বাসিন্দা বিনয় দাস পেশায় রাজবাড়ির আধিকারিক। কাজের ব্যস্ততার ফাঁকেও তিনি প্রকৃতিকে সাজিয়ে তোলার জন্য সময় বের করে গাছ লাগিয়ে চলেছেন। ছোটবেলা থেকেই পরিবেশ তাঁর চিন্তায়, তাঁর ধ্যানে-জ্ঞানে। তাই নিজের গাঁটের টাকা খরচ করেই তিনি নার্সারি থেকে চারাগাছ কিনে আনেন। সকাল হলেই গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। তারপর সকাল ৮টা পর্যন্ত গাছ লাগান যেখানে মনে হয়।

Scroll to load tweet…

কোচবিহার শহরের বিভিন্ন ফাঁকা জায়গায় বহু গাছ লাগিয়েছেন তিনি। শুধু গাছ লাগানোই নয়, নিজের লাগানো গাছের পরিচর্যাও যেমন করেন, তেমনই অন্যদের লাগানো গাছগুলিরও দায়িত্ব নিয়ে দেখভাল করেন বিনয় বাবু। গাছ লাগানোর জন্য একাধিক যন্ত্র কিনেছেন নিজের টাকায়। স্থানীয় কয়েকজন তাঁকে সাহায্য করেন। এশিয়ানেট বাংলাকে জানিয়েছেন, তিনটে ছোট ছোট বনও তৈরি হয়েছে তাঁর লাগানো গাছ দিয়ে।

প্রধানমন্ত্রীর মুখে নিজের নাম শুনে স্বভাবতই আপ্লুত বিনয় দাস। বিনয়বাবু বলেন, 'খুবই ভাল লেগেছে প্রধানমন্ত্রী আমার কথা বলেছেন। আমার কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমি এই কাজে আরও উৎসাহ পেয়েছি। আগামীদিনে আরও বড় আকারে এই কাজ করব। আমার লক্ষ্য কোচবিহারের ৩২টি নদীর চরে খণ্ডবন গড়ে তোলা।'