ফের একবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। শাসকদলের এক প্রভাবশালী বিধায়ককে দামি গাড়ি উপহার দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিটে এমনটাই দাবি করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি।

ফের একবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। শাসকদলের এক প্রভাবশালী বিধায়ককে দামি গাড়ি উপহার দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিটে এমনটাই দাবি করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ইডি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জানা যাচ্ছে, ওই বিধায়ককে হাতে রাখার জন্যই এই উপহার তিনি দেন। এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থাটি। তবে কোন বিধায়ক, তা স্পষ্ট করেনি ইডি (ED)। শুধু তাই নয়, উপহার দেওয়া গাড়িটি শাহজাহান বা ওই বিধায়কের নামেও কেনা হয়নি।

ইডি তাদের চার্জশিটে বলেছে, একাধিক প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং বিধায়কদের খুশি করতে মাঝে মাঝেই এই ধরণের দামি দামি উপহার দিতেন সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান। তার মূল কারণই ছিল, সন্দেশখালি এলাকায় তাঁর প্রতিপত্তি বজায় রাখা।

ঠিক সেই কারণেই, এক বিধায়ককে দামি গাড়ি উপহার দেন এই তৃণমূল নেতা। ইডির (ED) তদন্তে উঠে এসেছে, উপহারের জন্য এই গাড়িটি কেনা হয় অন্য একজন ব্যক্তির নামে। গাড়ির নথিতে নাম রয়েছে বি এন বোস নামে একজনের। এমনকি, গাড়ি কেনার টাকাও সেই ব্যক্তির কাছ থেকে শাহজাহান নেন বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা।

এই মামলায় ইডি এর আগেও বহুবার দাবি করেছে যে, সন্দেশখালি জুড়ে কার্যত ত্রাসের সঞ্চার ঘটিয়েছিলেন শেখ শাহজাহান। ওই এলাকায় তিনিই ছিলেন শেষ কথা। তাঁর বিরুদ্ধে জোর করে জমি দখল করা, গ্রামবাসীদের ওপর অত্যাচার, বিঘার পর বিঘা চাষের জমিতে সমুদ্রের নোনা জল ঢুকিয়ে মাছের ভেড়ি তৈরি করা এবং টাকা তোলার মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

কোনও মন্ত্রী, বিধায়ক কিংবা সাংসদের প্রভাব সেখানে চলত না। কালো টাকা সাদা করতে বিভিন্ন রকম পথ অবলম্বন করতেন শাহজাহান। চার্জশিটে ইডি আরও দাবি করেছে, সন্দেশখালিতে মাছের ব্যবসা এবং ইটভাটার ব্যবসা চালাতেন তিনি। এই ব্যবসার মাধ্যমেই মূলত কালো টাকা সাদা করার কাজ চলত।

এই কাজে সঙ্গী ছিলেন তাঁর ভাই আলমগীর শেখ, ঘনিষ্ঠ শিবপ্রসাদ হাজরা এবং দিদার বক্স মোল্লা। এমনকি, ভুয়ো ব্যবসায়ী বানিয়ে মাছও বিক্রি করতেন শাহজাহান। ফলে, তাঁর মাছের টাকা ঘুরপথে বিক্রি হয়ে ফিরে আসত আবার তাঁর কাছেই।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।