Birbhum News: ভাষা আন্দোলনের সূচনা করে তৃণমূল সুপ্রিমো জেলা ছাড়তেই বীরভূমে রাজনৈততিক উত্তেজনা। কাজল শেখ বনাম অনুব্রত মণ্ডল। কী হল তারপর? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন… 

Birbhum News: মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফর শেষ হতে না হতেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে। কাজল শেখ গোষ্ঠীর লোকজনদের অভিযোগ অনুব্রত মণ্ডল অনুগামীদের মারধর করেছে। পাল্টা কাজল অনুগামীদের দাবির, ওরাই বরং আমাদের লোকজনক মারধর করেছে। দুপক্ষের মধ্যে মারামারি। আহত চার। ঘটনায় উত্তেজনা সিউড়ি ২ ব্লকের অবিনাশপুর এলাকায়। এমনকি তৃণমূলের অঞ্চল সভানেত্রীর স্বামীকেও মারধরের অভিযোগ। আহতরা সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অবিনাশপুর অঞ্চলের তৃণমূলের তনুজা ধীবরের স্বামী এলাকার একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন। অনুব্রত মণ্ডল অনুগামীদের অভিযোগ, সেই সময় এলাকার ব্লক সভাপতি নুরুল ইসলাম তথা জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল সেখ অনুগামী হিসাবে পরিচিত এলাকার অঞ্চল সভাপতি রাজু মুখোপাধ্যায় ও তাঁর লোকজন বোমাবাজি করে এবং মারধর করে। এরপরেই আহতদের সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি তৃণমূলের অবিনাশপুর অঞ্চল সভাপতি রাজু মুখোপাধ্যায়ের। তিনি ফোনে জানান, ওরা একজনকে মারধর করে। পরে ইট পাথর নিয়ে পার্টি অফিসে হামলা চালায়। বোমাবাজিও করে। তাদের একজন গুরুতর আহত।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বাংলাভাষী এক নারী ও তার সন্তানের উপর হামলার একটি ভুয়ো ভিডিও পোস্ট করার অভিযোগ করেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেছেন যে ভিডিওটি বিভ্রান্তিকর এবং অনুপযুক্ত। তিনি বলেন যে, ‘’মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ কেউই আইনের উর্ধ্বে নন এবং তাকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) এর আওতায় জবাবদিহি করতে হবে।'' 

 শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন যে দিল্লি পুলিশের পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান সত্ত্বেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বিভ্রান্তিকর পোস্ট প্রত্যাহার করেননি। "পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক প্রধান এবং একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে একটি ভুয়ো ভিডিও শেয়ার করেছেন। কেউই আইনের উর্ধ্বে নন এবং তাকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস) এর আওতায় জবাবদিহি করতে হবে। দিল্লি পুলিশের দাবি সত্ত্বেও তিনি তার বিভ্রান্তিকর পোস্ট প্রত্যাহার করেননি," তিনি বলেন।

এর আগে সোমবার, দিল্লি পুলিশ বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাভাষী এক নারী ও তার সন্তানের উপর দিল্লি পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্বারা হামলার অভিযোগ খারিজ করে ভাইরাল ভিডিওটিকে "ভুয়ো" এবং "ভিত্তিহীন" বলে অভিহিত করে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।