শনিবার রাত থেকেই পাতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। পাতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস ও আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। 

ভোটের দিনে উত্তপ্ত ভাঙড়। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রে এই অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেস ও আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে। শনিবার রাত থেকেই উত্তপ্ত ছিল ভাঙড়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। দুই পক্ষের ঝামেলায় আহত হয়েছে এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় টহল দিচ্ছে পুলিশ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অন্যদিকে বঙ্গ বিজেপি নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও আপলোড করেছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে ভাঙড়ের সাটুলিয়ায় বোমা ফেলা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করা হয়েছে। প্রশ্ন তোলা হয়েছে কোথা থেকে এল এই বোমা।

Scroll to load tweet…

শনিবার রাত থেকেই পাতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। পাতাকা লাগানোকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস ও আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। তাতেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাঙড়েক চণ্ডীহাট গ্রাম। তারপরই দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। প্রথমে কথা কাটাকাটি। তারপর হাতাহাতি। এই ঘটনায় দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর মাথা ফেটে গিয়েছে।

তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ তাদের তিন জন সমর্থক আহত হয়েছে। জিরেনগাছা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা চলছে। পাল্টা আইএসএফ-এ দাবি তাদেরও এক কর্মী আহত হয়েছে। তাদেরও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদিকে আইএসএফ কর্মীদের অভিযোগ শুক্রবার ভোররাতে তাদের দলীয় কর্মী আলম খানের গাড়িতে ভাঙচুর চালান হয়। সেই ভাঙা গাড়ি নিয়ে থানায় যায়। সেখানেও তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাদের ওপর হামলা চালায়।

ভাঙড় মানেই অশান্তি। যদিও অশান্তি রুখতে গতকালই তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সায়নী ঘোষশ জানিয়েছিলেন তিনি ভোটের দিন ভাঙড়েই থাকবেন। কিন্তু তারপরেও ভাঙড়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনেও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় মোতায়েন কা হয়েছিল পুলিশ।