সংক্ষিপ্ত
Asit Majumder: সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে নিজের যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার (Asit Majumder)। নিজের বেতনের কথা বলতে গিয়ে অসিত মজুমদার বলেন আমার কী যোগ্যাতা আছে?
Asit Majumder: সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে নিজের যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার। নিজের বেতনের কথা বলতে গিয়ে অসিত মজুমদার বলেন আমার কী যোগ্যাতা আছে? একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন বিধায়ক হিসেবে কী কী সুবিধে তিনি পান। যা নিয়ে জেলের রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে। পাল্টা বিজেপির পক্ষ থেকেও তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে অযোগ্য যখন তখন দ্রুত পদক্ষেপ করা উচিৎ।
রবিবার চুঁচুড়া-মগরা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কমিটির উদ্যোগে আদিসপ্তগ্রামে একটি বৈঠকে গিয়েছিলেন। সেখানে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত মিটিংএ যোগ দিয়েছিলেন। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, 'আমি একটা চাকরি করতাম। সেখানে ৪০-৫০ হাজার টাকা হয়তো বেতন পেতাম। কিন্তু আমি বিধায়ক হয়েছিল। এক - দেড় লক্ষ টাকা বেতন পাই। ৫ লক্ষ টাকা বছরে পাই প্লেনে করে ঘোরার জন্য। রাজধানীতে দুই জন সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে পারি ফ্রিতে।' তবে এখানেই শেষ নয়, তিনি আরো জানিয়েছেন মেডিক্যাল বিল পাই আনলিমিটেড। তারপরই প্রশ্ন করেন, 'এই যোগ্যতা আমার আছে? আমি তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য এমএলএ হয়েছি।' তিনি আরও বলেন, 'পঞ্চায়েত সদস্য, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষরা বেতন পান। সাধারণ কর্মীরা কিছু পান না। অথচ দেখা যাচ্ছে ভোটার লিস্ট স্ক্রুটিনির ক্ষেত্রে কর্মীরাই ভাল কাজ করছে। কিন্তু জনপ্রতিনিধিরা ফাঁকিবাজি করছে।'
বিধায়কের এই মন্তব্য মন্তব্যের পরই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। হুগলি জেলার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, বিধায়ক নিজেই স্বীকার করেছেন তাঁর কোনও যোগ্যতা নেই। 'দিদির দয়ায় বেঁচে আছেন।' তিনি আরও বলেন, অযোগ্য যখন তখন পদত্যাগ কর উচিৎ। তাতে চুঁচুড়ার মানুষের ভাল হবে। তবে হার মানতে নারাজ বিধায়ক। তিনি বলেন, 'ভোটার লিস্টের কাজে যাতে কেউ ফাঁকি না মারে তারজন্যই এই কথা বলেছি।' তিনি আরও বলেন, ভোটার লিস্ট কী করে করতে হবে, দলের কী কী নির্দেশ রয়েছে সেই কথা বলতে গিয়েই তিনি বেতন আর যোগ্যতার প্রসঙ্গ তুলেছিলেন।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।