সংক্ষিপ্ত

West Bengal Civic Volunteer: রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। এবার সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে ভিডিও শেয়ার করে নতুূন অভিযোগ আনলেন শুভেন্দু অধিকারী।

Suvendu Adhikari Attacked Civic Volunteer: রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে পুলিশ (West Bengal Police) ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteer) বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ নতুন নয়। এবার সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে এমনই এক ভিডিও শেয়ার করে সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, ‘এই ভিডিওটি গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোডের। পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে রাজবাঁধ গোপালপুর টোলপ্লাজার কাছে তোলা। একজন গাড়ির চালককে ওভারলোডিংয়ের বাহানায় ১০,০০০ টাকা দাবি করে এক সিভিক ভলান্টিয়ার। সেখানে কোনও পুলিশ আধিকারিক বা মোটর ভেহিক্যালসের আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন না। গাড়ির চালক বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করলে তাঁর উপর মারধর করার মিথ্যে অভিযোগ চাপানোর চেষ্টা করা হয়।’ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল শুভেন্দুর শেয়ার করা এই ভিডিও। রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

'চপ শিল্প' নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ করে শুভেন্দু লিখেছেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপশাসনে সারা রাজ্যে তোলাবাজি এখন চপ শিল্পকে ছাড়িয়ে সব থেকে বড় শিল্প হয়ে উঠেছে। প্রাতিষ্ঠানিক তোলাবাজির যদি আইনি গ্রহনযোগ্যতা থাকত, তাহলে রাজ্যের কর আদায় কাঠামোর সব থেকে ওপরে স্থান করে নিত তোলাবাজির উৎস। আর রাজ্যের যে কোনও জাতীয় বা রাজ্য সড়কে প্রকাশ্য দিবালোকে আপনি দেখতে পাবেন হয় পুলিশ নিজে তোলা তুলছে, নয় চুক্তিভিত্তিক কোনও সিভিক ভলান্টিয়ার তোলা আদায় করছে। এদের আদায়ের বহর আঞ্চলিক পরিবহণ অফিসের (RTO) থেকেও কয়েক গুণ বেশি হবে। রাজ্যের যত্র তত্র, যে কোনও রাস্তায় আপনার গাড়ির কাগজপত্র সব সঠিক থাকলেও আপনাকে তোলা দিতেই হবে, সৌজন্যে সেই মমতা পুলিশ। কেউ তোলা দিতে না চাইলে তাকে হেনস্থার সম্মুখীন হতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের এটাই এখন বাস্তব চিত্র। এভাবে চলতে থাকলে আগামী দিনে এর পরিণতি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। মানুষ অন্যায়কে বেশীদিন প্রশ্রয় দেয় না। কোনওদিন আইন অমান্য করতে শুরু করলে এই ঘুষখোর পুলিশ প্রশাসন সামাল দিতে পারবে না।’

 

 

সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ

আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত ছিল কলকাতা পুলিশের এক সিভিক ভলান্টিয়ার। তার বিরুদ্ধে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। শাস্তিও ঘোষণা করেছে আদালত। রাজ্যের নানা প্রান্তে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ উঠেছে। এই ইস্যুতে রাজ্য সরকার তথা শাসক দলকে বিপাকে ফেলতে মরিয়া বিজেপি।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।