মঙ্গলবার সকালে ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল প্রফুল্ল মিস্ত্রির দেহ। পুলিশ ঘটনাস্থানে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে তা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। 

বারাসতের মনুয়াকাণ্ডের ছায়া বনগাঁয়। প্রেমিকের সাহায্য নিয়ে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ উঠলের মহিলার বিরুদ্ধে। বনগাঁর গোপালনগর থানার মোল্লাহাটি শিকারিপারা এলাকার ঘটনা। মঙ্গলবার ঘরের মধ্যে থেকে উদ্ধার করা হয় প্রফুল্ল মিস্ত্রির মৃতদেহ। বৃহস্পতিবার মৃতের স্ত্রী অভিযুক্ত আলপনা সর্দারকে নহাটা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে আলপনার প্রেমিক মধু হালদারকেও। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন- মুকুল ইস্যুতে আজ শুনানি বিধানসভায়, হাজির শুভেন্দু

মঙ্গলবার সকালে ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল প্রফুল্ল মিস্ত্রির দেহ। পুলিশ ঘটনাস্থানে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে তা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। মাথায় আঘাত করে প্রফুল্লকে খুন করা হয়েছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের। এই মৃত্যুর জন্য আলপনাকে দায়ি করেছিলেন প্রফুল্ল পরিবারের সদস্যরা। আলপনার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানান তাঁরা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয় তদন্ত। এদিকে ঘটনার পর থেকেই নিখোঁজ ছিল আলপনা ও মধু। 

আরও পড়ুন- অলিম্পিক শুরুর আগেই ধাক্কা, হোটেল থেকে নিখোঁজ উগান্ডার অ্যাথলিট

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রফুল্লর আগেও একটা বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু, সেই স্ত্রী ও সন্তানদের ছেড়ে আলপনার সঙ্গে থাকতেন তিনি। আলপনাকে তিনি করেছিলেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। এদিকে আলপনার ঘরে প্রতিবেশী মধুর যাতায়াত লেগেই থাকত। সময় পেলেই আলপনার সঙ্গে এসে গল্প করত সে। যা মোটেই পছন্দ করতেন না প্রফুল্ল। এনিয়ে একাধিকবার আলপনার সঙ্গে তাঁর ঝামেলা হয়েছে। কিন্তু , তারপরও মধুর আসা যাওয়া বন্ধ হয়নি। এভাবেই মধুর সঙ্গে আলপনার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক তৈরি হয়। তদন্তকারীদের অনুমান প্রফুল্ল আপত্তি করাতেই তাঁকে ষড়যন্ত্র করে খুন করেছে আলপনা ও মধু। 

আরও পড়ুন- রাজ্যসভায় দীনেশ ত্রিবেদীর ছেড়ে যাওয়া আসনে নির্বাচন, দিন ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

আর ঘটনার পরই তাদের ওই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া তদন্তকারীদের সন্দেহ আরও বাড়িয়ে দেয়। এরপর বৃহস্পতিবার তাদের একসঙ্গে নহাটা থেকে গ্রেফতার করে গোপালনগর থানার পুলিশ। পুলিশি জেরায় খুনের কথা স্বীকার করেছে অভিযুক্তরা। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, আলপনা এবং মধু মিলে প্রথমে প্রফুল্লকে বিষ খাইয়েছিল। তারপর মাথায় কোপ মেরে খুন করে।