চা বাগানের দখল নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ গেল নিরীহ মহিলার তুমুল উত্তেজনা ছড়াল উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরে পুলিশকে আধিকারিককে প্রকাশ্যে দোষারোপ বিধায়কের

চা বাগানের দখলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। সংঘর্ষের মাঝে পড়ে গুলিবিদ্ধ প্রাণ গেল এক নিরীহ মহিলার। আহত হয়েছেন আরও দু'জন। তুমুল উত্তেজনা ছড়াল উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের নয়াবস্তি গ্রামে। ঘটনাস্থলে গিয়ে বিতর্ক জড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

দলের জেলা সভাপতি, আর একজন এলাকার বিধায়ক। ইসলামপুরের নয়াবস্তি গ্রামের চা বাগানের দখলদারি নিয়ে দুই তৃণমূল নেতার বিবাদ দীর্ঘদিনের। অভিযোগ তেমনই। শ্রমিকের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীর অনুগামী এক শ্রমিক যখন চা বাগানে ঢোকেন, তখন তাঁকে দেখে আচমকাই গুলি চালাতে শুরু করেন জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের অনুগামীরা। দুইপক্ষের মধ্যে শুরু হয়ে যায় গুলির লড়াই, বোমাবাজি। সংঘর্ষে মাঝে পড়ে যান রশিদা খাতুন নামে এক মহিলা। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। গুলি লাগে আরও দু'জনের। তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ইসলামপুর থানার বিশাল পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। খবর পেয়ে নয়াবস্তি গ্রামে যান ইসলামপুরের তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী। ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে প্রকাশ্যে ইসলামপুর থানার আইসিকে দোষারোপ করেন তিনি। বিধায়কের অভিযোগ, দলের ব্লক সভাপতির জাকির হোসেনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসে মদত দিচ্ছে পুলিশ! যদিও এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন শাসকদলের ব্লক সভাপতি। 

উল্লেখ্য,গত বিধানসভা ভোটে উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন তৃণমূলের কানাইয়ালাল আগরওয়াল। কিন্তু লোকসভা ভোটে প্রার্থী হওয়ার পর বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। রায়গঞ্জ কেন্দ্রে অবশ্য হেরে যান কানইয়ালাল। ভোটের ফল প্রকাশের পর পরাজিত প্রার্থীকেই উত্তর দিনাজপুরে দলের সভাপতি করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর উপনির্বাচনে জিতে ইসলামপুরের বিধায়ক হন আব্দুল করিম চৌধুরী।