গভীর রাতে বাড়ির সামনে পাটকাঠির গাদায় দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন।  আগুন নিভতেই দেখা গেল, পাটকাঠির গাদায় পড়ে রয়েছে গৃহবধূ ও প্রতিবেশী যুবকের দেহ! ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা বনগাঁ-এর মণিগ্রাম শিবপুর বটতলা এলাকায়। পাটকাঠির গাদায় ওই দু'জন কী করছিলেন? ধন্দে স্থানীয় বাসিন্দারা।  ওই গৃহবধু ও যুবককে খুন করা হয়েছে নাকি আত্মহত্যা করেছেন তাঁরা?  খতিয়ে দেখছেন পুলিশ।

আরও পড়ুন:চালু হল উত্তরবঙ্গগামী কয়েকটি ট্রেন, পাঁচ দিনেও স্বাভাবিক হল না পরিষেবা

ঘড়িতে তখন রাত আড়াইটে। মণিগ্রাম শিবপুর বটতলা এলাকায় তপতী মণ্ডল নামে এক গৃহবধূর বাড়ির সামনে পাটকাঠির গাদায় আগুন লেগে যায়। তেমনই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, ঘটনাটি বুঝতেই কিছুটা সময় চলে যায়। যখন তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান, তখন পাটকাঠির গাদায় দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। খবর দেওয়া হয় দমকলে।  বেশ কয়েকটি ইঞ্জিনের সাহায্যে আধঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিভিয়ে ফেলেন দমকলকর্মীরা। আগুন নিভতেই পাটকাঠির গাদায় তপতী ও তাঁর প্রতিবেশী যুবক প্রসেনজিৎ বৈদ্যের অগ্নিদগ্ধ দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে বনগাঁ থানার পুলিশ।

আরও পড়ুন: ট্রেন নেই, ফ্রি ওয়াই ফাই আছে, রায়গঞ্জ স্টেশনে উপচে পড়ছে ভিড়

কিন্তু পাটকাঠির গাদায় কীভাবে পুড়ে মারা গেলেন তপতী ও প্রসেনজিৎ? তা কিন্তু স্পষ্ট নয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই দু'জনকে খুন করা হয়েছে। কিন্তু কেন? কারণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।  এদিকের মৃত যুবকের পরিবারের লোকেদের আবার দাবি, তপতীর সঙ্গে প্রসেনজিতের সম্পর্ক যথেষ্ট ভালো ছিল। সেক্ষেত্রে প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে ওই গৃহবধূর বিবাহ-বর্হিভূত সম্পর্কের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ।  নিহত দু'জনের পরিবারের লোকেরার সঙ্গে কথা বলছেন তদন্তকারীরা। প্রয়োজনে প্রতিবেশীদের জেরা করা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।