কার্তিক বিসর্জনের শোভাযাত্রায় হাঁটতে হাঁটতে কখন যে তিনি জেনারেটর ভ্যানে উঠে পড়েছিলেন, তা টের পাননি কেউই। শেষপর্যন্ত জেনারেটরে চুল আটকে মারা গেলেন ওই মহিলা। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে। জেনারেটরটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

মৃতার নাম ডলি হাজরা। বছর চল্লিশের ওই মহিলার বাড়ি কলকাতার শ্যামবাজারে।  কার্তিক পুজো উপলক্ষ্যে জগৎবল্লভপুরের ফিঙেগাছি এলাকায় মেয়ের বাড়িতে এসেছিলেন ডলি।  স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, সোমবার রাতে কার্তিক বিসর্জনের জন্য বাড়ির সকলের সঙ্গে শোভাযাত্রায় বেরোন ওই মহিলাও।  কার্তিক ঠাকুরকে এলাকার একটি গাছতলায় বসিয়ে যখন ফিরছিলেন, তখন পায়ে যন্ত্রণা শুরু হয় ডলির। সকলেই অলক্ষ্যে জেনারেটর ভ্যানে পিছনে বসে পড়েন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মাঝ রাস্তায় ভ্যানের চাকা একটি গর্তে পড়ে যায়। ঝাঁকুনিতে জেনারেটরটি ডলির খুব কাছাকাছি চলে আসে। আর তাতেই ঘটে বিপত্তি।  ওই মহিলার মাথার চুল আটকে যায় জেনারেটরের পাখায়। চোখের নিমেষে জেনারেটরে চুল পেঁচিয়ে মারা যান ডলি হাজরা। ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক হয়ে যায় সকলেই।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জগৎবল্লভপুর থানার পুলিশ। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলার রুজু করে শুরু তদন্ত। যে জেনারেটরে চুল আটকে ডলি হাজরা মারা গিয়েছেন, সেই জেনারেটরটি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। এদিকে কার্তিক বিসর্জনের শোভাযাত্রা এমন মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমেছে জগৎবল্লভপুরের ফিঙেগাছিতে।  

এদিকে আবার নদিয়ার শান্তিপুরে কার্তিক বিসর্জনের শোভাযাত্রার ঢুকে পড়েছিল কয়েকজন মদ্যপ যুবক। তারা তারস্বরে ডিজে বাজাচ্ছিল বলে অভিযোগ। প্রতিবাদ করায় আক্রান্ত হলেন স্থানীয় এক পরিবেশকর্মী।  অভিযোগ, তাঁকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয়।