সাতসকালে মহিলা আইনজীবীর হাত, পা বাঁধা দেহ ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। ঘটনার পিছনে কোনও প্রমাণ লোপাটের বিষয়  থাকতে পারে। এমনই মনে করছে আইনজীবীর পরিবারের লোকজন। ঘটনার পর মহিলার ঘর থেকে বহু জিনিস চুরি গিয়েছে।  

জানা গেছে, ওই মহিলা আইনজীবী জামালপুরে একাই থাকতেন। রবিবার সকালে আইনজীবীর দেহ দেখতে পান তাঁর পরিচারিকা।  মৃত মহিলা আইনজীবীর নাম মিতালী ঘোষ( ৫৯) । তিনি বর্ধমান আদালতে প্র্য়ক্টিস করতেন। পরিচারিকা জানিয়েছে, রবিবার সকালে মিতালী দেবীর বাড়িতে কাজে গিয়ে ডাকাডাকি করে কোনও  সাড়া পাননি। তখন তিনি পাশের বাড়ি থেকে একটি মই এনে টিনের চালে উঠে দেখেন, উনি উঠোনের মধ্যে পড়ে আছেন। এরপরই প্রতিবেশীদের খবর দেন তিনি। 

 প্রতিবেশীরা জানান, ওই আইনজীবীর দেহ উঠোনের মধ্যে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। সরর দরজা ভেঙে দেখা যায়, তাঁর দোতলা বাড়ির একতলা পুরো লণ্ডভণ্ড। সেখান থেকে তালা চাবি ভেঙে জিনিসপত্র গয়নাগাটি সরানো হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।  পরিবারের অভিযোগ, অনেক জিনিসপত্র গয়নাগাটি খোওয়া গেছে। এছাড়াও অনুমান করা হচ্ছে, কোনো মামলার নথি চুরি হয়ে থাকতে পারে।  গোটা  ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জামালপুর থানার পুলিশ।  প্রাথমিকভাবে এটিকে ডাকাতির  উদ্দ্শ্যে খুনের ঘটনা মনে  হলেও এর পিছনে অন্য কারণও থাকতে পারে। অন্তত প্রাথমিকভাবে  এমনই মনে করছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই মহিলার দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।  সম্পূর্ণ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।  এটি ডাকাতির উদ্দেশ্যে খুন না এর পিছনে অন্য কারণ আছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।