Yuva Shakti Bharosa Card: সরকারি এই স্কিমের মাধ্যমে বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে পাবেন (Yuva Shakti Bharosa Card)। অনেকেই চাকরি খুঁজছেন, ইন্টারভিউ দিচ্ছেন বা পড়াশোনা করে চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাই সেইসব বেকার যুবক-যুবতীদের সাহায্য করার জন্যই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই ভরসা কার্ড চালু করা হয়েছে। 

Yuva Shakti Bharosa Card: রাজ্যের যুবক-যুবতীদের স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একটি জনমুখী প্রকল্পের নাম হল ‘যুবশক্তি ভরসা কার্ড'। সরকারি এই স্কিমের মাধ্যমে বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে পাবেন (Yuva Shakti Bharosa Card)। অনেকেই চাকরি খুঁজছেন, ইন্টারভিউ দিচ্ছেন বা পড়াশোনা করে চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাই সেইসব বেকার যুবক-যুবতীদের সাহায্য করার জন্যই রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই ভরসা কার্ড চালু করা হয়েছে। প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা করে সরাসরি তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যাবে (Yuva Shakti Bharosa Card Apply Online)।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ভরসা কার্ড করতে গেলে কোন কোন নথি লাগবে?

কিন্তু এই ভরসা কার্ডের সুবিধা পেতে গেলে কোন কোন নথি লাগবে? সেটাও জানা জরুরি। প্রথমেই লাগবে পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, বার্থ সার্টিফিকেট, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিইটেইলস এবং অবশ্যই শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ বা সার্টিফিকেট। এই সমস্ত নথি না থাকলে মুশকিলে পড়তে হতে পারে। যদিও বাকিটা সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা জানিয়ে দেবেন। তারপর হবে ভেরিফিকেশন। 

ভরসা কার্ড পেতে গেলে যোগ্যতার মাপকাঠিও সঠিকভাবে জানতে হবে। প্রথমত বয়স হতে হবে ২১-৪০ এর মধ্যে। অন্য কোথাও চাকরি করা অবস্থায় এই সুবিধা পাওয়া যাবেনা। তাছাড়া যারা গ্র্যাজুয়েট পাশ করেছে তারা পাবে ৩,০০০ টাকা এবং যারা গ্র্যাজুয়েট নয়, তারা পাবে ২,০০০ টাকা।

না থাকলে বাতিল হতে পারে আবেদন

নবান্ন সূত্রে খবর, অনলাইনে আবেদন করার পর প্রশাসনিক স্তরে প্রত্যেকের দেওয়া ডকুমেন্টস পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে এবং খতিয়ে দেখে যাচাই করা হবে। যদি কোনও ভুল তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে সেই আবেদন পত্রপাট বাতিল করা হবে। 

তাই অবশ্যই ভরসা কার্ডের আবেদন করার সময় কোন কোন ডকুমেন্টস লাগবে, সেটা ভালো করে বুঝে নেবেন। পাসপোর্ট সাইজের ছবি, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, বার্থ সার্টিফিকেট, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডিইটেইলস এবং অবশ্যই শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণ বা সার্টিফিকেট। এই সমস্ত নথি না থাকলে মুশকিলে পড়তে হতে পারে। যদিও বাকিটা সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা জানিয়ে দেবেন। তারপর হবে ভেরিফিকেশন।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।