পলাতক মহিলার দেওয়া ঠিকানাও ভুয়ো, করোনা-জেহাদির ভয়ে সন্ত্রস্ত গোটা শহর

Published : Apr 06, 2020, 12:28 PM ISTUpdated : Apr 06, 2020, 12:41 PM IST
পলাতক মহিলার দেওয়া ঠিকানাও ভুয়ো, করোনা-জেহাদির ভয়ে সন্ত্রস্ত গোটা শহর

সংক্ষিপ্ত

গত শুক্রবার হাসপাতাল থেকে পালান করোনা উপসর্গ থাকা এক মহিলা পরীক্ষার রিপোর্টে জানা গিয়েছে তিনি করোনাপজিটিভ কিন্তু তাঁর দেওয়া ঠিকানাটাও ভুয়ো এই করোনা-জেহাদির ভয়ে সন্ত্রস্ত এখন ইন্দোর

ভারতে করোনা-জেহাদির সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে। করোনা-জেহাদি কথাটি নতুন হলেও, এই মুহূর্তে করোনাভাইরাসের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই বাড়ছে এই জেহাদিদের সংখ্য়া। অর্থাৎ যাঁরা করোনাভাইরাস সংক্রান্ত বিধিনিষেধ ভেঙে, স্বেচ্ছাচারী আচরণে গোটা মানবজাতিকেই বিপদের মুখে ঠেলে দিচ্ছেন। গত শুক্রবারই ইন্দোরের এক বেসরকারি হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে পালিয়েছিলেন এক করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া মহিলা। তাঁর খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি। কারণ, হাসপাতালে যে ঠিকানা তিনি দিয়েছিলেন তা ভুয়ো বলে জানা গিয়েছে।

ইন্দোরের অরবিন্দ হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন ওই মহিলা। গত শুক্রবার, তিনি নিখোঁজ হওয়ার সময় পর্যন্ত তাঁর করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফল ডাক্তারদের হাতে ছিল না। রবিবার সেই ফল আসার পর দেখা গিয়েছে ওই মহিলা করোনাভাইরাস পজিটিভ। কাজেই তাঁর থেকে শহরের আরও অনেকের দেহে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিন্তু, ওই মহিলাকে কোনওভাবেই ধরা যাচ্ছে না। হাসপাতালে ভর্তির সময় তিনি জানিয়েছিলেন, জুনা রিসালা এলাকার এক বাড়িতে তিনি থাকেন। কিন্তু সেই ঠিকানায় গিয়ে দেখা গিয়েছে সেটি নকল। শুধু তাই নয়, তিনি যে মোবাইল নম্বরটি নিবন্ধিত করেছিলেন, সেটিও ছত্তিশগড়ের অন্য এক ব্যক্তির।

'লকডাউনের সময় বেড়ে ৪ মে', তৈরি থাকুন মোদীর ভাইরাল স্ক্রিনশট-এর জন্য

গাজিয়াবাদের পর কানপুর, তাবলিগিদের 'করোনা-জেহাদি' আচরণে সন্ত্রস্ত চিকিৎসাকর্মীরা

করোনাভাইরাস আসলে সরকারের চক্রান্ত, বিস্ফোরক পোস্ট করে শ্রীঘরে গেল যুবক

এই অবস্থায় গোটা শহরেই সংক্রমণের ভয় জাঁকিয়ে বসেছে। পুলিশ ও প্রশাসনের একাধিক দল নানাভাবে ওই মহিলার সন্ধান করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে আঙুল উঠছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দিকেও। এই পুরো ঘটনায় তাদের অবহেলা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, আইসোলেশন বা বিচ্ছিন্নতা ওয়ার্ড হিসাবে যেটিকে সাজিয়ে তোলা হয়েছিল, তার সুরক্ষা ব্যবস্থায় গাফিলতি ছিল। ওয়ার্ডের সামনের এলাকাটি ঠিল একেবারে খোলা। কোনও ব্যারিকেড অবধি ছিল না। তাই, দু'দিন আগে পর্যন্ত সেখানে বাইরে লোক দেদার যাতায়াত করতে পারতেন। তার সুযোগ নিয়েই ওই মহিলা পালিয়েচেন বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে অরবিন্দ হাসপাতালের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, গত শুক্রবার কোভিড-১৯ রোগের উপসর্গ নিয়ে ওই ওয়ার্ডে থাকা যেসব রোগীর লালারসের নমুনা পরীক্ষার ফল আসেনি, তাদের অন্যত্র স্থানান্তরিত করা হচ্ছিল। পলাতক মহিলার নামও ওই স্থানান্তরিত রোগীদের মধ্যে ছিল। স্থানান্তরিত করার সময়ে ওই মহিলা কাউকে কিছু না বলে, একফাঁকে চুপচাপ কেটে পড়েন। তাতেও প্রশ্ন উঠছে, একজন রোগী হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেলেন, আর হাসপাতালের কেউ জানতে পারল না, সেটা কীকরে হয়?

 

PREV
click me!

Recommended Stories

PM Modi New Zealand: অকল্যান্ডে বিশেষ জার্সি উদ্বোধন মোদী-লাক্সনের, ক্রীড়াক্ষেত্রে বিরাট সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী
Bihar CM Helicopter: মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টারে অস্বাভাবিক ঘটনা, ৭ মিনিট আকাশে স্থির হয়ে ভাসল সম্রাটের কপ্টার