Fake Website: পড়ুয়ারা একটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তা পাচ্ছে। তাতে লেখা ‘আপনার APAAR ID :’… এবর শেষে একটি ১২ অঙ্কের সংখ্যা লেখা। তারপর লেখা রয়েছে, ‘আইডিটি সফল ভাবে জেনারেট করা হয়েছে। হ্যাকারদের হ্যাক করার এই নতুন পদ্ধতি।
Hackers: 'এক দেশ এক পড়ুয়া' (APAAR - Automated Permanent Academic Account Registry) আইডি কার্ডের নামে হ্যাকাররা পড়ুয়াদের টার্গেট করছে। ভুয়ো ওয়েবসাইট বা মেসেজের মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য, আধার নম্বর ও ওটিপি (OTP) হাতিয়ে নিয়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করছে। এটি সাধারণত ‘ফিশিং’ (Phishing) এবং ‘সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং’ (Social Engineering) কৌশলের মাধ্যমে করা হচ্ছে, যেখানে বিশ্বাসযোগ্য লিঙ্ক তৈরি করে তথ্য নেওয়া হয়। এ বিষয়ে সবারই সতর্ক থাকা উচিত। না হলে অনেক বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হতে পারে। শুধু আর্থিক ক্ষতিই নয়, পড়ুয়াদের কেরিয়ারের ক্ষেত্রেও ক্ষতি হতে পারে। এই কারণে ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে হ্যাকারদের পাতা ফাঁদ এড়ানোর বিষয়ে সতর্ক থাকা উচিত।
হ্যাকারদের হ্যাক করার বিস্তারিত পদ্ধতি-
- ফিশিং বা ভুয়া ওয়েবসাইট: হ্যাকাররা শিক্ষা মন্ত্রকের ওয়েবসাইটের মতো দেখতে হুবহু নকল ওয়েবসাইট তৈরি করে। সেখানে রেজিস্ট্রেশনের নামে আধার নম্বর, জন্ম তারিখ এবং মোবাইল নম্বর চাওয়া হয়।
- সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেসেজ: WhatsApp বা SMS-এর মাধ্যমে একটি লিঙ্ক পাঠানো হয়, যাতে লেখা থাকে "APAAR আইডি না বানালে ছাত্রবৃত্তি বন্ধ হয়ে যাবে" বা "পরীক্ষা দেওয়া যাবে না"।
- OTP বা পাসওয়ার্ড চুরি: ভুয়া ওয়েবসাইটে লগইন করার সময় ফোনে আসা OTP বা পাসওয়ার্ড এন্টার করতে বলা হয়, যা সরাসরি হ্যাকারদের কাছে চলে যায়।
- ম্যালওয়্যার (Malware): অনেক সময় অজানা লিঙ্কে ক্লিক করলে ফোনে বা কম্পিউটারে ম্যালওয়্যার ডাউনলোড হয়ে যায়, যা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে।
সুরক্ষা ব্যবস্থা-
১. শুধুমাত্র অফিসিয়াল সরকারি ওয়েবসাইট (যেমন: ) ব্যবহার করুন।
২. যে কোনও মেসেজে আসা লিঙ্কে ক্লিক না করে সরাসরি ব্রাউজারে সাইটের নাম টাইপ করুন।
৩. OTP বা ব্যক্তিগত তথ্য ফোনে বা অচেনা ওয়েবসাইটে শেয়ার করবেন না।
৪. আধার কার্ডের সঙ্গে লিঙ্ক করা মোবাইল নম্বর সচল রাখুন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


