
করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রথম থেকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন দেশের ক্রীড়াবিদরা। সেই তালিকায় রয়েছেন ক্রিকেটের ঈশ্বর সচিন তেন্ডুলকারও। জনতা কার্ফু থেকে লকডাউন, করোনা প্রতিরোধ করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বারবার সচেতনতার বার্তা দিয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টার। দেশের সাধারণ মানুষকে বলেছেন করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হলে সকলকে একসঙ্গে লড়াই করতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখারা পাশাপাশি সকলকে ঘরে থাকার, সুস্থ থাকার, সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছেন লিটল মাস্টার। শুধু সচেতনতার বার্তা দেওয়াই নয় সরকারি তহবিলেও নিজের সাধ্যমত অনুদান দিয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে দাঁড়িয়েছেন গরীব,অসহায় মানুষদের পাশে। দেশের বিপদের সময় পাশে দাঁড়াতে আরও একবার এগিয়ে এলেন সচিন তেন্ডুলকর। চার হাজার দুঃস্থের পাশে দাঁড়ালেন তিনি।
আরও পড়ুনঃবিশ্বের তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে করোনায় আক্রান্ত হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সোলো এনকোয়েনি
একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার মাধ্য়মে ৪ হাজার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন সচিন। এর মধ্যে বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের বিএমসি স্কুলের শিশুরাও রয়েছেন। মুম্বইয়ে একটি সংস্থায় অর্থ দানের মাধ্যমে এই কাজ করেছেন তিনি। সচিন টুইট করে বলেছেন, “দৈনিক উপার্জন করে এমন পরিবারগুলোর পাশে থাকার জন্য শুভেচ্ছা হাইফাইভ টিমকে।” সেই সংস্থা আবার পাল্টা সচিনকে ধন্যবাদ জানিয়ে টুইট করেছে। তাতে লেখা আছে, “আমাদের কোভিড-১৯ তহবিলে আপনার দানের ফলে চার হাজার দুঃস্থর পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হচ্ছে। এর মধ্যে স্কুলের ছাত্রঠাত্রীরাও থাকছে।” করোনাভাইরাসের প্রকোপে দেশজোড়া লকডাউনের সময় ফের সচিনের মানবিক রূপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সকলে।
Thanks @sachin_rt for proving once again that #sports encourages compassion! Your generous donation towards our #COVID19 fund enables us to financially aid 4000 underprivileged people, including children from @mybmc schools. Our budding sportspersons thank you, Little Master!😊
Best wishes to team Hi5 for your efforts in supporting families of daily wage earners. https://t.co/bA1XdQIFhC
আরও পড়ুনঃচুক্তিভঙ্গের অভিযোগে কোয়েসের বিরুদ্ধে ফিফায় অভিযোগ জানাতে চলেছেন মারিও রিভেরা
আরও পড়ুনঃবুন্দেসলিগায় ফুল ফুটিয়েছেন এই বাঙালি কোচ,জানুন রবিন দত্তের কাহিনী
এই প্রথম নয়, এর আগেও করোনা মোকাবিলায় ৫০ লক্ষ টাকার অনুদান দিয়েছিলেন সচিন তেন্ডুলকর। মহারাষ্ট্র সরকারের ত্রাণ তহবিলে দিয়েছিলেন ২৫ লক্ষ টাকা ও কেন্দ্রীয় সরকারের ত্রাণ তহবিলে দিয়েছিলেন ২৫ লক্ষ টাকা। শুধু সরকারি তহবিলে দান নয়, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে অসহায় মানুষদের পাশেও দাঁড়িয়েছেন সচিন। আপনালয় নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়ে এক মাসের জন্য পাঁচ হাজার মানুষের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছিলেন সচিন। দেশের বিপদের দিনে আগামী সময়তেও এইভাবেই পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টার।