নখকুনি এই শব্দটির সঙ্গে প্রায় সকলেই পরিচিত। শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির মধ্যে নখকে বাদ দেওয়া যায় না। এই সময় বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে নখ নিয়ে নানা রকম আর্ট করার প্রবণতা দেখা যায়। তবে সঠিক ভাবে নখের পরিচর্যা না হলেই বিপদ। ধুলো, বালি, ঘাম, অতিরিক্ত জল ঘাটা এই সবকিছু হল নখকুনির জন্য দায়ি।
১) নারকেল তেল
স্নান করার আগে কিছুটা নারকেল তেল নিয়ে বেথা যায়গায় মালিশ করুণ। ২০ মিনিট পর জল দিয়ে ভালো ভাবে ধুয়ে নিন। এই ভাবে টানা ১ সপ্তাহ করে আরাম পাবেন।
26
২) অলিভ অয়েল
নখকুনির জন্য অলিভ অয়েল খুবই কার্যকরী। ২ চামচ অলিভ অয়েল ও ২ চামচ পাতিলেবুর রস দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুণ। দিনে ৩ থে ৪ বার নখকুনির যায়গায় লাগান। এতে খুব সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
36
৩) বেকিং সোডা
নখ বা তাঁর চারপাশের যে কোন রকম ইনফেকশনে বেকিং সোডা উপকারী। বেকিং সোডা ও জল দিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবারে শ্যাম্পু জলে ভালো করে হাত ও পায়ের নখ ধুয়ে নিন। এর পর পেস্টটি নখে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখার পর ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে নিন। দিয়ে ৩ থেকে ৪ বার এই পধুতি অবলম্বন করলেই মিলবে স্বস্তি।
46
৪) অ্যাপেল সিডার ভিনিগার
বাজারে খুব সহজেই এই ভিনিগারটি পেয়ে যাবেন। দামও বেশি নয়। ২ চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ও ২ চামচ জল দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নখের ব্যাথা যায়গায় লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট পর জল দিয়ে ধুয়ে নিন। প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার ব্যাবহার করুণ। আপনার নখকুনির সমস্যা নির্মূল হতে বাধ্য।
56
৫) রসুন
১ কাপ সাদা ভিনিগারের সঙ্গে কয়েক কোয়া রসুন কুচিয়ে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ নখকুনি আক্রান্ত অংশে লাগিয়ে কাপড় দিয়ে বেঁধে রাখুন। কিছুক্ষণ পর কাপড় খুলে জায়গাটি পরিষ্কার করে আবার ওই মিশ্রণ ব্যাবহার করুণ। উপকার পাবেন।
66
৬) পাতি লেবুর রস
নখকুনি আক্রান্ত অংশে দু-এক ফোঁটা পাতিলেবুর রস মাখুন। ২৫ মিনিট পর উষ্ণ গরম জলে ধুয়ে ফেলুন। যতো দিন না সারছে, তত দিন এই পধুতি মেনে চলুন। কাজ করবে ম্যাজিকের মতো।
Health Tips (স্বাস্থ্য খবর): Read all about Health care tips, Natural Health Care Tips, Diet and Fitness Tips in Bangla for Men, Women & Kids - Asianet Bangla News