
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও টিকাদান এবং বিশেষ কিছু রুটিন চেকআপের পরিষেবা বন্ধ করা উচিত নয়। এমনটাই মত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধাণ পরিচালক চিকিৎসক টেড্রোস অধানম ঘিব্রেইসাস-এর। তাঁর মতে, কিছু টিকাকরণ দেরিতে হলে স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সুতরাং কোন ভ্যাকসিনগুলি অবশ্যই নেওয়া উচিত বলে জানিয়েছে হু, তা জেনে নেওয়া দরকার।
আরও পড়ুন- শরীর ফিট রাখতেই নয়, যোগাসনেই বাড়বে সম্পর্কের উষ্ণতা
১) নবজাতকের জন্য হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন এবং ব্যাসিলাস ক্যালমেট গেরিন ভ্যাকসিন। তিন মাসের কম বয়সী শিশুদের সরাসরি টিকা দেওয়া যায়। চাইনিজ সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন এর মত অনুসারে, এই টিকা নেওয়ার আগে তিন মাস থেকে তিন বছর বয়সের শিশুদের জন্য ত্বক পরীক্ষা করা অবশ্যই প্রয়োজন। দরকার, চিনা রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের মতে।
আরও পড়ুন- মাত্র ৪০ পয়সার ওষুধেই কাবু হতে পারে করোনা, গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
২) প্রাণীদের দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য রেবিজ ভ্যাকসিন, যা কোনও প্রাণীর কামড় বা আঁচড়ে দেওয়ার জন্য নেওয়া প্রয়োজন।
৩) অপরিষ্কার বা সংক্রমিত ক্ষতর জন্য ব্যক্তিদের টিটেনাস ভ্যাকসিন অবশ্যই নেওয়া প্রয়োজন। সর্বশেষ পাঁচ বছরে যারা টেটানাস ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাদের এই ভ্যাকসিন নেওয়ার প্রয়োজন নেই।
৪) ১ বছর থেকে ১২ বছর বয়সী বাচ্চাদের জন্য হামের টিকা অবশ্যই নেওয়া প্রয়োজন।
রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিরোধের জন্য আপনি ভ্যাকসিনেশন ক্লিনিক বা স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফোন করে ভ্যাকসিনগুলি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে আগাম বুক করে নিতে পারেন। ফলে বাড়ি থেকে একাধিক বার বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। ভ্যাকসিন দেওয়ার আগে শিশুদের স্বাস্থ্যের অবস্থা সম্পর্কে চিকিত্সকদের অবহিত করা উচিত।
Health Tips (স্বাস্থ্য খবর): Read all about Health care tips, Natural Health Care Tips, Diet and Fitness Tips in Bangla for Men, Women & Kids - Asianet Bangla News