লাদাখের হিম শীতল বাতাসে যুদ্ধের উত্তাপ, এক সপ্তাহ পরে গালওয়ানে 'গরম হাওয়া'

Published : Jun 22, 2020, 11:09 AM ISTUpdated : Jun 22, 2020, 10:44 PM IST
লাদাখের হিম শীতল বাতাসে যুদ্ধের উত্তাপ,  এক সপ্তাহ পরে গালওয়ানে 'গরম হাওয়া'

সংক্ষিপ্ত

ভারত -চিন সেনা সংঘর্ষের পর এক সপ্তাহ পার এখনও উত্তপ্ত সীমান্ত পরিস্থিতি দুই পারেও সেনা সমাবেশ হচ্ছে  নজরদারী চালাচ্ছে দুই দেশই 


গালওয়ানে চিন-ভারত সংঘর্ষের আজ আট দিন। গত সোমবার রাতের অন্ধকারে ভারতীয় সেনাদের মারধরের অভিযোগ ওঠে চিনা সেনাদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার ভারতের ২০ জন সেনা জাওয়ান নিহত হয়েছে। সোমবার রাতের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই সীমান্তে উত্তেজনার পারদ চড়তে থাকে। সীমান্ত উত্তাপ প্রসমনের জন্য দুই দেশ সমারিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে একাধিকবার বৈঠক করেছে। কিন্তু তারপরেও গালওয়ানসহ  বিস্তীর্ণ এলাকায় জুড়ে এখনও পর্যন্ত উত্তেজনার পারদ চড়ছে। 

ভারত ও চিন সীমান্তে ৩৪৮৮ কিলোমিটার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবার উত্তেজনা বর্তমান। ভারত ও চিন দুই দেশই সীমান্ত সেনার সংখ্যা বাড়িয়েছে। সক্রিয় করা হয়েছে সীমান্ত সংলগ্ন বিমানঘাঁটি গুলিকে। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে নৌবাহিনীকেও। ১৫ জুন অর্থাৎ গত সোমবারের পর থেকেই দুই দেশই সীমান্তে তৎপর রয়েছে। 

প্রতিপক্ষকে জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ, লাদাখ পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা রাজনাথের ...

স্যাটেলাইট ইমেজই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অস্ত্র রাহুলের , লাদাখ নিয়ে কেন্দ্রকে ৫ প্রশ্ন সিব্বলের ...

 ১৫ জুনের পর থেকে যদিও গালওয়ানে সীমান্তে কোনও সংঘর্ষ হয়নি। তবুই সক্রিয় রয়েছে দুই বাহিনীর সদস্যরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভারতের এক সেনা অধিকর্তা জানিয়েছেন, জিংজিয়ান ও তিব্বতের বিস্তীর্ণ এলাকায় সক্রিয় থাকতে বলা হয়েছে পিপিলস লিবারেশন আর্মির সদস্যদের। তাই উল্টোদিকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ভারতীয় সেনাকেও। প্রত্যাঘাত এলে যাতে পাল্টা আঘাত আনতে পারে তারজন্য সবরকম ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হয়েছে। বেশ কিছু অঞ্চলে এখনও দুই দেশ উভয় পক্ষের ওপর নজরদারী চালাচ্ছে বা চোখে চোখ রেখে অবস্থান করছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও এক সামরিক কর্তা জানিয়েছেন, চিনা সেনা যদি গালওয়ান সংলগ্ন নালাটি পার হয়ে ভারতের  দিকে আসে তাহলে ১৪ নম্বর  পেট্রোলিং পোস্ট রক্ষার জন্য ভারতীয় সেনা বাহিনী যা যা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তাই গ্রহণ করবে। তেমনই ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। গালওয়ান নালার ওপারে চিনা সেনা জমায়েতও লক্ষনীয় বলে মনে জানিয়েছেন তিনি। পাল্টা ওই একই এলাকায় ভারতীয় সেনাও মোতায়েন করা হয়েছে। এই ১৪ নম্বর পোস্ট সংলগ্ন এলাকায় গত সোমবার সংঘর্ষে জড়িয়েছিল দুই পক্ষে। তিনি জানিয়েছেন, সীমান্তের ওপারে নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে চিনা সেনা। 

লাদাখ সংঘর্ষেই ভারতীয় সেনার অন্দরে পরিবর্তন, বদলে যেতে চলেছে দশক পুরনো নিয়ম ...

সীমান্তে দুই দেশের সৈন্যদের পিছু হঠার কোনও লক্ষণ এখনও পর্যন্ত দেখতে পাওয়া যায়নি। সামরিক পর্যবেক্ষকদের কথায় সীমান্তের দুই পাশে যে সেনা সমাবেশ দেখা যাচ্ছে তা দীর্ঘদিন দেখা যায়নি। দুই দেশই পাল্টা জবাব দিতে মরিয়া। দুই পারমানবিক শক্তিধর দেশের এই রণদেহী মনোভাব ভাবিতে তুলেছে বিশ্বের সমর বিশেষজ্ঞদের। তাঁদের মতে যদ্ধই ডেকে আনে ধ্বংস। থমকে দেয় উন্নয়ন। 

PREV
click me!

Recommended Stories

Bengal Election: পশ্চিমবঙ্গে এবার কার সরকার? সোমবার ফলপ্রকাশ, তার আগে Exit Poll নিয়ে কী বলছেন নেতারা?
DA Hike: জুলাই মাসে DA ৩% বাড়তে পারে, সরকারি কর্মচারীদের একের পর এক লটারি লাগছে