করোনার প্রতিষেধকের জন্য কি অপেক্ষা শেষ হচ্ছে, সৌম্যা স্বামীনাথনের কথায় আবারও শুরু জল্পনার

Published : Aug 26, 2020, 11:37 PM IST
করোনার প্রতিষেধকের জন্য কি অপেক্ষা শেষ হচ্ছে, সৌম্যা স্বামীনাথনের কথায় আবারও শুরু জল্পনার

সংক্ষিপ্ত

করোনার প্রতিষেধক নিয়ে আশাবাদী সৌম্যা স্বামীনাথন বললেন ভারত ভালো অবস্থায় রয়েছে বিশ্বের সব থেকে প্রতিষেধক সরবরাহ করাই এখন চ্যালেঞ্জ প্রতিশেধক বিতরণের জন্য প্রয়োজন ৩১ বিনিয়ন মার্কিন ডলার   

করোনার প্রতিষেধক নিয়ে আশার আলো দেশের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান গবেষক সৌম্যা স্বামীনাথন। বেঙ্গালুরুতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ২০২১ সালের গোড়ার দিকেই করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক নিয়ে কিছু একটা ভালো খবর পাওয়া যাবে। পাশাপাশি তিনি বলেন প্রতিষেধকের বিষয়ে রীতিমত ভালো অবস্থায় ভারত। কারণ এই দেশের অনেক সংস্থাই নিজেরাই প্রতিষেধক বিকাশ করছে। পাশাপাশি উৎপাদনের পর কেন্দ্রীয় সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। দেশটি প্রতিষেধক উৎপাদনের কেন্দ্র। তাই এখন থেকেই প্রাপ্ত বয়স্ক টিকাদান কর্মসূচির জন্য পরিকল্পনা প্রয়োজন বলেও তিনি মনে করেন। 


বেঙ্গালুরুতে আয়োজিত সেন্টার ফর পাবলিক পলিসি আয়োজিত পাবলিক পলিসি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কিত একটি সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন সৌম্যা স্বামীনাথন। সেখানেই তিনি বলেন প্রতিষেধক বিতরণের জন্য ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে। ধনী দেশের পাশাপাশি আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া দেশগুলিতে প্রতিষেধক পৌঁছে দেওয়াটাই এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। করোনাভাইরাস বৈষম্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। আর মহামারীটি প্রায় প্রত্যেকটি দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে রীতিমত ধাক্কা দিয়েছে। 

ভারত প্রসঙ্গে তিনি বলেন,ভারত প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিষেবাগুলিতে মিসিং লিঙ্ক খুঁজে পেয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবা  কেবলমাত্র রোগ নিরায়মের মধ্য়ে সীমাবদ্ধ থাকে না, এটির অন্তর্গত খাদ্য, স্যানিটেশন, জল, আবাসন ব্যবস্থাও। পাশাপাশি মাদক জাতীয় দ্রব্য ও তামাকের ব্যবহার যে ঝুঁকিপূর্ণ তা আবারও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে এই মহামারি। মহামারি টিবি, ক্যান্সার ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগের ওপর সুনির্দিষ্ট প্রভাব ফেলবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।  

করোনা সংক্রমণ রুখতে এন ৯৫ মাস্কে ভরসা ভারতীয় বিজ্ঞানীদের, বললেন মাস্ক কতটা জরুর

ধানের ট্রাকে মূর্তি পাচার ছক গেল ভেস্তে, উদ্ধার হল ৩৫ কোটি টাকার ২৫টি প্রাচিন মূর্তি ...
স্বামীনাথন আরও বলেছেন যে মৃত্যুর হার ও রোগের প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে সঠিক তথ্য পরিবেশন করায় সরকারের ভূমিকা রীতিমত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী দিনে স্বাস্থ্য পরিষেবায় আরও বেশি বিনিয়োগ করা প্রয়োজন বলেও তিনি মনে করেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য কর্মীদেরও উন্নতমানের প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

ওজোন গ্যাসে প্রাকৃতিকভাবে ধ্বংস করবে করোনার জীবাণু, নিদান দিল জাপানের বিজ্ঞানীরা ...

PREV
click me!

Recommended Stories

Noida Violence: নয়ডা হিংসায় পাকিস্তানি যোগ! পুলিশের দাবি, ওখান থেকেই উস্কানি দেওয়া হয়
SpiceJet Plane Hits Akasa Aircraft: দিল্লি বিমানবন্দরের রানওয়েতে দুই বিমানের মধ্যে সংঘর্ষ, সজোরে ধাক্কায় খসে পড়ল স্পাইসজেটের উইংলেট