
India-Bangladesh MOUs: বাংলাদেশের বিগত সরকার ভারতের সঙ্গে যে সব চুক্তি করেছিল, সেগুলি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানালেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। শুক্রবার জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানিয়েছেন, 'আমরা চুক্তিগুলো, মানে সব, ১০১টা এমওইউ নিয়ে আলোচনা করছি এবং সেটার ফল অনতিবিলম্বে আপনারা পাবেন।' নূরুলের কথা অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকার ভারতের সঙ্গে অতীতে হওয়া চুক্তিগুলি খতিয়ে দেখছে। সাংবাদিক বৈঠকে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার চুক্তির আওতায় বন্ধুরাষ্ট্রের জাহাজ চলাচল এবং ওই চুক্তি বাতিলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। এর জবাবে ভারতের সঙ্গে হওয়া চুক্তিগুলি পর্যালোচনার কথা বলেন নূরুল।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান (Bangladesh PM Tarique Rahman) ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে (BRICS Summit) যোগ দিতে এলেন না। এর আগেও তাঁর ভারত সফরে আসার কথা ছিল। কিন্তু তাঁর সেই সফর বাতিল হয়ে যায়। বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি শাসক দল বিএনপি-ও (Bangladesh Nationalist Party) জানিয়েছে, ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন না তারেক। বাংলাদেশ সরকারের দাবি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে তারেককে ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। মস্টেকের চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এই কারণেই ভারতে আসছেন না তারেক। বাংলাদেশের কোনও প্রতিনিধিই ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে আসছেন না।
আপাতত ভারতে না এলেও, চলতি বছরের শেষদিকে বা আগামী বছরে ভারত সফরে আসতে পারেন তারেক। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) দিল্লিতে আছেন। তাঁকে আশ্রয় দেওয়া নিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাসিনা ভারতে থাকাকালীন তারেক ভারত সফরে আসবেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। হাসিনাকে প্রত্যর্পণের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। তবে হাসিনা নিজেই চলতি বছরের শেষদিকে দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন। তবে তিনি দিনক্ষণ জানাননি।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।