
বাহারি দামি বিলিতি ফলমূলের চাকচিক্যের চেয়ে স্থানীয় ও মরসুমী দেশি ফলমূলই বেশি উপকারী।কারণ এগুলো তাজা, পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং শরীরের স্থানীয় প্রয়োজনের সঙ্গে বেশি মানানসই, যদিও বিলিতি ফলেও ভিটামিন ও খনিজ থাকে। এই "ফল যুদ্ধ"-এর ফল হলো, পুষ্টিবিদরা বলছেন, যা সহজে পাওয়া যায় এবং যা স্থানীয় পরিবেশে উৎপন্ন হয়, সেটাই খাওয়া উচিত—এতে খরচ কমে এবং পুষ্টিও বেশি পাওয়া যায়।
* তাজা ও স্থানীয়: দেশি ফলগুলো স্থানীয় আবহাওয়ায় উৎপন্ন হওয়ায় তাজা থাকে এবং পরিবহনজনিত কারণে পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় না।
* পুষ্টির ভারসাম্য: প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব ফলে সেই অঞ্চলের মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল ও ফাইবার থাকে।
* খরচ কম: স্থানীয় ফল সাধারণত আমদানি করা ফলের চেয়ে সস্তা হয়।
* সহজলভ্যতা: সহজেই পাওয়া যায়, ফলে নিয়মিত খাওয়া সহজ হয়।
* সুপারমার্কেটের আকর্ষণ: বিলিতি ফল দেখতে সুন্দর, ঝকঝকে, কিন্তু তা আসে দূর থেকে, ফলে তাজা নাও থাকতে পারে।
* অতিরিক্ত রাসায়নিক: অনেক সময় এগুলো দ্রুত পাকার জন্য বা দীর্ঘ সময় সংরক্ষণের জন্য রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়।
* পুষ্টিগুণে পার্থক্য: তাজা দেশি ফলের তুলনায় এদের পুষ্টিগুণ অনেক সময় কম হতে পারে, কারণ তাজা অবস্থায় খাওয়া হয় না।
"ফল যুদ্ধ"- র ফলাফল (পুষ্টিবিদের মত):
* পুষ্টিবিদদের মতে, তারকাদের দেখাদেখি বা ফ্যাশনের জন্য দামি বিলিতি ফল খাওয়ার চেয়ে নিজের এলাকার স্থানীয় ও মরসুমী ফল (যেমন পেয়ারা, আম, জাম, লিচু, আপেল, পেঁপে) খাওয়া অনেক বেশি উপকারী।
* এতে শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান নিশ্চিত হয় এবং স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
তাই বাহারি বিলিতি ফলের আকর্ষণ এড়িয়ে স্থানীয় ও মরসুমী দেশি ফলমূলকে প্রাধান্য দিন। এতে আপনার শরীরও ভালো থাকবে, পকেটও বাঁচবে এবং পরিবেশেরও উপকার হবে। বিলিতি ফল খেলে যে খুব বেশি লাভ হয়, এমনটা নয়।