
Healthy Food: গরম ভাতে ঘি খেলে মস্তিষ্ক ও স্মৃতিশক্তির উন্নতি হয়। কারণ এতে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট মস্তিষ্কের কোষ গঠন ও মেরামতে সাহায্য করে। মনোযোগ বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়। এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রেখে পরোক্ষভাবে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং ওমেগা-৩ ও বিউটাইরিক অ্যাসিডের মতো উপাদান প্রদাহ কমায়, তবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া জরুরি। অতিরিক্ত ঘি খারাপ কোলেস্টেরল বাড়াতে পারে।
* স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বৃদ্ধি: ঘি-তে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট মস্তিষ্কের কোষের ঝিল্লি মেরামত করে, যা স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে।
* মস্তিষ্কের কোষ পুষ্টি জোগায়: মস্তিষ্ক প্রায় ৬০% ফ্যাট দিয়ে গঠিত, তাই সুস্থ মস্তিষ্কের জন্য ঘিয়ের মতো স্বাস্থ্যকর ফ্যাট অপরিহার্য।
* মানসিক চাপ ও উদ্বেগ হ্রাস: ঘি স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করে এবং সেরোটোনিনের মতো ভালো লাগার হরমোন উৎপাদনে সাহায্য করে, যা মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমায়।
* অন্ত্র-মস্তিষ্কের সংযোগ (Gut-Brain Axis): ঘি অন্ত্র পরিষ্কার রাখে এবং বিউটাইরিক অ্যাসিড প্রদাহ কমায়, যা পরোক্ষভাবে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ও মেজাজ উন্নত করে।
* শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশ: শিশুদের মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় DHA (ডোকোসাহেক্সানোয়িক অ্যাসিড) ঘিতে থাকে।
* স্নায়ুতন্ত্রের স্বাস্থ্য: ঘি স্নায়ু কোষকে পুষ্টি ও আর্দ্রতা জোগায়, যা স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
* শক্তি বৃদ্ধি ও হজম: ঘি শরীরে শক্তি যোগায় এবং হজম ক্ষমতা বাড়ায়, গ্যাস ও বদহজম কমায়। * ভিটামিন সরবরাহ: এতে ভিটামিন A, D, E, K থাকে, যা মস্তিষ্ক ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
যা মনে রাখতে হবে (সীমাবদ্ধতা):
* পরিমিত সেবন: অতিরিক্ত ঘি খেলে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) বাড়তে পারে এবং ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে, তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত (দিনে ২ চামচ পর্যন্ত নিরাপদ, যদি হার্টের সমস্যা বা কোলেস্টেরল না থাকে)। * গুণমান: খাঁটি দেশি ঘি ব্যবহার করা ভালো, কারণ কৃত্রিম ঘি ক্ষতিকর হতে পারে।
* গরম ভাতের সাথে এক চামচ ঘি মিশিয়ে খেতে পারেন, যা স্বাদ ও পুষ্টি দুটোই বাড়াবে। * এক চিমটে গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা আরও বাড়ে বলে মত আছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।