Winter Health: এই ৬টি খাবারে উষ্ণতার আমেজ, শীতকালে নিয়মিত খেতেই পাারেন

Published : Dec 06, 2024, 06:49 AM IST
Winter Health: এই ৬টি খাবারে উষ্ণতার আমেজ, শীতকালে নিয়মিত খেতেই পাারেন

সংক্ষিপ্ত

শীতের দিনগুলি শুরু হয়ে গেছে এবং এমন সময়ে স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শীতকালে শরীরকে ভিতর থেকে উষ্ণ রাখতে কোন খাবারগুলি খাওয়া উচিত তা জেনে নেওয়া যাক…

শীতকালে স্বাস্থ্যসেবা : শীতের দিনগুলি শুরু হয়ে গেছে এবং স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এই ঋতুতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা ব্যক্তিরা সহজেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। শীতকালে সর্দি-কাশির মতো স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি শরীরকে ভিতর থেকে উষ্ণতা দিতে কোন খাবারগুলি খাওয়া উচিত তা বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক...

শীতকালে খান এই স্বাস্থ্যকর খাবারগুলি

শুকনো ফল

শীতকালে বাদাম, আখরোট, কাজু ইত্যাদি শুকনো ফল খাওয়া উচিত। এগুলি শরীরকে শীতকালে ভিতর থেকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে।

তিল ও গুড়

তিল ও গুড় শীতকালে বিশেষভাবে খাওয়া হয়। এগুলি শরীরকে ভিতর থেকে উষ্ণতা দেয়। এর সাথে হাড় মজবুত করতেও সাহায্য করে।

রসুন ও আদা

রসুন ও আদা শীতকালে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আদা খেলে শরীর ভিতর থেকে গরম থাকে। এছাড়া রসুন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

হলুদ দুধ

স্যুপ, খিচুড়ি অথবা হলুদ দুধ পান করলে শীতকালে শরীর ভিতর থেকে উষ্ণ থাকে। হলুদ দুধে প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টিবায়োটিক থাকায় সর্দি-কাশি থেকে আপনি দূরে থাকেন।

ঘি

শীতকালে ঘি খেলে শরীরকে শক্তি জোগায়। এছাড়া শরীর ভিতর থেকে উষ্ণ থাকে।

সবুজ শাকসবজি

শীতকালে সবুজ শাকসবজি যেমন পালং শাক, মেথি শাক খাওয়া উচিত। এতে প্রচুর পরিমাণে লৌহ ও ভিটামিন থাকায় শরীর ভিতর থেকে উষ্ণ থাকতে সাহায্য করে।

(দাবিত্যাগ : এই লেখাটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্য প্রদানের জন্য। Asianet News এই তথ্যের জবাবদিহিতা গ্রহণ করে না। আরও তথ্যের জন্য আপনি বিশেষজ্ঞ অথবা আপনার পরিচিত ডাক্তারের পরামর্শ নিন।)

 

PREV

Health Tips (স্বাস্থ্য খবর): Read all about Health care tips, Natural Health Care Tips, Diet and Fitness Tips in Bangla for Men, Women & Kids - Asianet Bangla News

click me!

Recommended Stories

Brain Foods: বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারে এই ৮টি সুপারফুড?
Health Insurance: স্বাস্থ্যবিমা থাকা বিশেষ প্রয়োজন, কিন্তু আলাদা মেডিকেল ফান্ডও জরুরী