
ব্লাড সুগার লেভেল বাড়ার ক্ষেত্রে খাদ্যাভ্যাস একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। টাইপ ১ ডায়াবেটিসে, অগ্ন্যাশয় খুব কম ইনসুলিন তৈরি করে বা একেবারেই করে না। টাইপ ২ ডায়াবেটিসে, শরীর কার্যকরভাবে ইনসুলিন ব্যবহার করতে পারে না। এখানেই খাবারের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিসের মতো খাদ্যাভ্যাস-সম্পর্কিত রোগ বিশ্বব্যাপী অসুস্থতা ও মৃত্যুর প্রধান কারণ। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস হৃদরোগ, ক্যান্সার, ডায়াবেটিস এবং স্থূলতাজনিত অন্যান্য রোগের মতো অনেক দীর্ঘস্থায়ী রোগের অন্যতম প্রধান ঝুঁকির কারণ।
ফরিদাবাদের সেক্টর ২০-এর যথার্থ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের চিফ ডায়েটিশিয়ান ডঃ আস্থা শর্মা বলেন, "চিনির চেয়ে বেশি গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) যুক্ত খাবার খাওয়ার পরিবর্তে, কম জিআই যুক্ত প্রাকৃতিক এবং গোটা খাবার খাওয়া ভালো। কারণ এগুলি আমাদের শরীরে ভাঙতে বেশি সময় নেয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করতে পারে।"
ময়দা দিয়ে তৈরি রুটি, সাদা ভাত, কর্নফ্লেক্স, আলু এবং বিস্কুটের মতো খাবার ব্লাড সুগার লেভেল বাড়াতে পারে। ফলের রসে ফাইবার কম থাকে, কারণ এগুলি সাধারণত কম বা ফাইবারবিহীন ফল থেকে তৈরি করা হয়। ইনস্ট্যান্ট নুডলস পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেটের আরেকটি রূপ। ইনস্ট্যান্ট নুডলসের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সাধারণত বেশি থাকে।
কম ফাইবারযুক্ত এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার দ্রুত হজম হয় এবং গ্লুকোজ শোষণ করে, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়। পরিশোধিত শস্যের পরিবর্তে গোটা শস্য বেছে নিন এবং ফলের রসের পরিবর্তে গোটা ফল খান। কার্বোহাইড্রেটের সঙ্গে প্রোটিন বা বাদাম, দই বা ডিমের মতো স্বাস্থ্যকর ফ্যাট মিশিয়ে খাওয়া রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার একটি দুর্দান্ত উপায়।
ইউএস সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) জানিয়েছে, রোদে পোড়া বা সানবার্ন মানসিক চাপের কারণ হতে পারে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ডিহাইড্রেশন বা শরীরে জলের পরিমাণ কম থাকলেও রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।