রাতের খাবারের সঠিক কোনও সময় নেই? অজান্তে কঠিন রোগের কবলে পড়তে পারেন আপনি

Published : Mar 18, 2025, 05:53 PM IST
Skipping Lunch Due to Work Health hazards

সংক্ষিপ্ত

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস ডেকে আনতে পারে কঠিন রোগ। বিশেষ করে রাতে দেরি করে খেলে হজমের সমস্যা, ফ্যাটি লিভার ও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটতে পারে। তাই সময় থাকতে সতর্ক হন।

অল্প বয়সে নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। এই সকল রোগের তালিকায় আছে ডায়াবেটিস, হার্টের সমস্যা, কিডনির সমস্যা থেকে শুরু করে প্রেসার, হরমোন জনিত সমস্যা সহ আরও কত কী। এই সকল রোগ থেকে মুক্তি পেতে সারাদিনে একাধিক ওষুধ খেতে হয় অনেককে। তবে, জানেন কি এই সকল রোগের আসল কারণ কি? আজ রইল বিশেষ টিপস। বিশেষজ্ঞের মতে, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রাই একাধিক রোগের কারণ। বিশেষ করে সঠিক সময় খাবার না গ্রহণ করা। অনেকেরই রাতে খাবার খাওয়ার সঠিক কোনও সময় নেই। সারাদিনের কাজ শেষ করে কোনও মতে খাবার খেয়ে বিছানায় চলে যান অনেকেই। এই ভুলেই শরীরে বাসা বাঁধছে নানান রোগ। আজ রইল বিশেষ টিপস। জেনে নিন সঠিক সময় রাতের খাবার না খেলে কী হতে পারে।

প্রতিদিন রাত করে খাবার খেলে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা হতে পারে। এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন। তাই সময় থাকতে সচেতন হন।

প্রতিদিন রাত করে খাবার খেলে তা সহজে হজম হয় না। এর প্রভাবে শরীরে জটিলতা দেখা দিতে পারে। হতে পারে হজমের সমস্যা।

প্রতিদিন রাত করে খাবার খেলে তা সঠিক ভাবে হজম হয় না। এর প্রভাবে ঘুমে ব্যঘাত ঘটতে পারে। যার দ্বারা নানান জটিলতা দেখা দেয় সারা দিন ধরে। দেখা দেয় ক্লান্তি ভাব, অস্থিরতা।

রাতে ঘুমানোর অন্তত ২ থেকে ৩ ঘন্টা আগে খাবার খান। তা হলে তা সহজে হজম হবে না। এর প্রভাবে অ্যাসিডিটি, গ্যাসের সমস্যা হতে পারে।

তেমনই রাতে হালকা খাবার খান। বেশি মশলাযুক্ত খাবার আপনার শরীরে সহজে হজম হয় না। এর ফলে নানান জটিলতা দেখা দেয়। তাই সময় থাকতে সচেতন হন। রোজ রাতে ঘুমানোর অন্তত ২ থেকে ৩ ঘন্টা আগে খাবার খান। সেই সঙ্গে খাওয়ার পর হাঁটাচলা করুন। এতে তা দ্রুত হজম হবে।

PREV

Health Tips (স্বাস্থ্য খবর): Read all about Health care tips, Natural Health Care Tips, Diet and Fitness Tips in Bangla for Men, Women & Kids - Asianet Bangla News

click me!

Recommended Stories

Brain Foods: বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারে এই ৮টি সুপারফুড?
Health Insurance: স্বাস্থ্যবিমা থাকা বিশেষ প্রয়োজন, কিন্তু আলাদা মেডিকেল ফান্ডও জরুরী