ঘন ঘন গ্যাস ও অম্বলের সমস্যায় ভুগছেন? এই কয়টি অভ্যেস বদল করলে মিলবে উপকার

Published : Feb 02, 2024, 11:44 AM IST
acidity

সংক্ষিপ্ত

সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রোজ একাধিক ওষুধ খেয়ে চলেছেন। তবে, জানেন কি এই সমস্যার প্রধান কারণ হল কয়টি বদ অভ্যেস। এমন সমস্যা হলে, আজ থেকে এই কয়টি অভ্যেস বদল করলে মিলবে উপকার। 

সামান্য একটু মশলা যুক্ত খাবার খেলেও গলা থেকে বুক পর্যন্ত জ্বলে যাচ্ছে। তেমনই যাই খাচ্ছেন তাতেই যেন অ্যাসিড হচ্ছে। বর্তমানে গ্যাস ও অম্বলের সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে রোজ একাধিক ওষুধ খেয়ে চলেছেন। তবে, জানেন কি এই সমস্যার প্রধান কারণ হল কয়টি বদ অভ্যেস। এমন সমস্যা হলে, আজ থেকে এই কয়টি অভ্যেস বদল করলে মিলবে উপকার।

ধূমপান ও মদ্যপান

অনেকেই জানেন না ধূমপান ও মদ্যপান হল এই সমস্যার অন্যতম কারণ। ধূমপান ও মদ্যপান আমাদের ডাইজেস্টিভ মিউকাস নষ্ট করে দেয়। যার কারণে এমন সমস্যা হয়।

চা-কফি

বারে বারে চা ও কফি খাওয়ার অভ্যেস আছে অনেকের। জানেন কি এই চা ও কফি বারে বারে খাওয়ার কারণে গ্যাস ও অম্বলের সমস্যা বাড়তে থাকে।

খাবারে অনিয়ম

গ্যাস ও অম্বলের সমস্যা থেকে বাঁচতে খাবারে অনিয়ম করবেন না। অল্প অল্প করে বারে বারে খাবার খান। দীর্ঘ সময় গ্যাপ দিলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।

অল্প চিবিয়ে খেয়ে ফেলা

অনেকেই অল্প চিবিয়ে খাবার খান। গ্যাস ও অম্বলের সমস্যা দেখা দেয় এই কারণে। অল্প চিবিয়ে খাবার খেলে এমন সমস্যা বাড়তে থাকে। তাই এই ভুল একেবারে নয়।

খাবার পরে জল পান

অনেকেই খাবার খেয়েই জল পান করেন। এতে খাবার হজম হতে বাধা পায়। এই ভুল একেবার নয়। এবার থেকে খাবার পরে জল পান করবেন না। এতে গ্যাস ও অম্বলের সমস্যা বেড়ে যায়। মেনে চলুন এই বিশেষ টিপস। তাই যারা বারে বারে গ্যাস ও অম্বলের সমস্যা ভুগছেন তারা ভুলেও এই কাজ করবেন না।

 

আরও পড়ুন

মাধ্যমিক পরীক্ষার কটা দিন মেনে চলুন এই সাতটি বিশেষ টিপস, পরীক্ষায় আসবে সাফল্য

আপেল থেকে শসা- গ্যাসের সমস্যায় ভুগলে সকালে ভুলেও খাবেন না এই কয়টি খাবার, বাড়তে পারে জটিলতা

PREV

Health Tips (স্বাস্থ্য খবর): Read all about Health care tips, Natural Health Care Tips, Diet and Fitness Tips in Bangla for Men, Women & Kids - Asianet Bangla News

click me!

Recommended Stories

Brain Foods: বাচ্চাদের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে পারে এই ৮টি সুপারফুড?
Health Insurance: স্বাস্থ্যবিমা থাকা বিশেষ প্রয়োজন, কিন্তু আলাদা মেডিকেল ফান্ডও জরুরী