
বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স দিবস ২০২৫: প্রতি বছর ৭ মে বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স দিবস পালিত হয়। এই দিনটি উদযাপনের উদ্দেশ্য হল মানুষের মধ্যে অ্যাথলেটিক্স সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া। যদি আপনার বাচ্চা অ্যাথলেটিক্স কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করে, তাহলে আপনার তার খাওয়ার উপর খুব বেশি নজর দেওয়ার প্রয়োজন। জেনে নিন অ্যাথলেটিক্সে অংশগ্রহণকারীদের ডায়েটে কোন পুষ্টি উপাদানগুলি থাকা অত্যন্ত জরুরি।
যদি আপনার বাচ্চা অ্যাথলেট হয় অথবা খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করে, তাহলে তার শরীরে কার্বোহাইড্রেট অবশ্যই পৌঁছানো উচিত। কার্বোহাইড্রেট শক্তির প্রথম উৎস। বাচ্চার শরীরে শক্তি এবং গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করা খুবই জরুরি। গোটা শস্য, ফল, সবজিতে কার্বোহাইড্রেট ভালো পরিমাণে পাওয়া যায়।
গ্রোয়িং বাচ্চাদের শরীরে পেশীর গঠন ঘটে। সেইসাথে পেশীর মেরামতও হয়। যদি আপনার বাচ্চা অ্যাথলেট হয়, তাহলে তার খাবারে প্রোটিন বেশি পরিমাণে অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। যদি আমিষ খায়, তাহলে মাংস, মাছ এবং ডিম বাচ্চাদের দিতে পারেন। যদি নিরামিষভোজী হয়, তাহলে বাচ্চাকে প্রতিদিন ডাল এবং শিমের বিচি খাওয়াতে পারেন।
যারা ডায়েট করেন তারা হয়তো ফ্যাট থেকে দূরে থাকেন, কিন্তু অ্যাথলেটিক্সে অংশগ্রহণকারীদের জন্য ফ্যাট অত্যন্ত জরুরি। ফ্যাট গ্রহণ করলে শক্তি পাওয়া যায়। এর জন্য ভালো ফ্যাটের উৎস খাবারে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। আখরোট, জলপাই তেল, মাছের তেল ইত্যাদি ফ্যাটের ভালো উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। এগুলি শরীরের ক্ষতিও করে না।
অ্যাথলেটিক্স করা ব্যক্তিদের সময়ে সময়ে হাইড্রেশনের দিকেও পুরো নজর রাখতে হবে নাহলে শরীরে পানির অভাব দেখা দেয় এবং শরীর দুর্বলতা অনুভব করে। শরীরকে হাইড্রেট রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে জল পান করতে হবে। সেইসাথে স্পোর্টস ড্রিঙ্কসও শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে।
মেনে চলুন এই সকল টিপস। বাচ্চার ডায়েটে অবশ্যই রাখুন এই কয়টি খাবার। আখরোট, জলপাই তেল, মাছের তেল ডায়েটে যোগ করুন। গোটা শস্য, ফল, সবজিতে কার্বোহাইড্রেট ভালো পরিমাণে পাওয়া যায়। এগুলো রাখুন ডায়েটে। প্রচুর পরিমাণে জল করান। সেই সঙ্গে স্পোর্টস ড্রিঙ্কসও ডায়েটে রাখুন। শরীরকে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে এগুলো। এই সকল টিপস মেনে চললে দ্রুত মিলবে উপকার।
Health Tips (স্বাস্থ্য খবর): Read all about Health care tips, Natural Health Care Tips, Diet and Fitness Tips in Bangla for Men, Women & Kids - Asianet Bangla News