Health Care: ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি-কাশি ও পেটের সমস্যা, এর কারণ কি শুধু খাওয়া-দাওয়া নাকি অন্য কিছু?

Published : Feb 20, 2026, 11:13 AM IST
stomach pain

সংক্ষিপ্ত

ভাইরাল জ্বর ঘরে ঘরে। সেই সঙ্গেই যেন দাবানলের মতো শুরু হয়েছে পেটের রোগ। ছোটরা তো বটেই, ভুগছেন বড়রাও। আজ বমি, তো কাল পেটখারাপ। ঘন ঘন ডায়েরিয়া হচ্ছে। এই অসুখের কারণ কী? কেবলমাত্র খাওয়াদাওয়ার কারণেই কি হচ্ছে?

Health Care: বর্তমানে ছোট-বড় সবার মধ্যেই পেটের রোগ। বিশেষ করে ভাইরাল গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস (Viral Gastroenteritis) বা স্টমাক ফ্লু-এর প্রকোপ মারাত্মকভাবে বেড়েছে । দূষিত খাবার ও জল, ভাইরাসের সংক্রমণ, কায়িক পরিশ্রমের অভাব, এবং অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাওয়া এর প্রধান কারণ । বমি, ডায়রিয়া, পেটে মোচড় দিয়ে ব্যথা এবং পেট ফাপা এর প্রধান উপসর্গ ।

দেশের নানা রাজ্যে সমীক্ষা চালিয়েছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর)। জানানো হয়েছে, শীত ও গরমের এই সন্ধিস্থলে একগুচ্ছ ভাইরাস সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারাই আসল খলনায়ক। এদের মধ্যে রয়েছে নোরোভাইরাস, রোটাভাইরাস, যাদের কারণে ‘ভাইরাল গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস’ নামক রোগ হয়। চিকিৎসকেরা যাকে বলেন ‘স্টমাক ফ্লু’। এটি হলে পেটের রোগ সহজে সারবে না। পেটখারাপ লেগেই থাকবে, বমিও হতে পারে। পেটের ব্যথাও হবে। আরও একটি ভাইরাস আছে, যার নাম অ্যাস্ট্রোভাইরাস, যেটি ছোটদের ও বয়স্কদের পেটের রোগের জন্য দায়ী।

পেটের রোগের বিস্তারিত কারণ ও পরিস্থিতি:

* ভাইরাসের সংক্রমণ (Viral Gastroenteritis): এটি একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ, যা দ্রুত একজনের থেকে অন্যজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে।এর ফলে খাদ্যনালিতে সংক্রমণ ঘটছে।

* দূষিত জল ও খাবার: অস্বাস্থ্যকর বা বাসি খাবার খাওয়ার ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে ।

* জীবনযাত্রার পরিবর্তন: কায়িক পরিশ্রম কমে যাওয়ায় হজমের সমস্যা (Indigestion) অনেক বেড়েছে।

* খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত ফাইবারযুক্ত খাবার, ল্যাকটোজ অসহিষ্ণুতা বা ডায়েট ঠিকঠাক না মানার কারণে পেট ফাঁপা বা ব্যথার সমস্যা হচ্ছে।

* পূর্ববর্তী স্বাস্থ্যগত কারণ: ডায়াবেটিস বা কিডনির রোগ থাকা রোগীরা বেশি সংক্রমণের শিকার হচ্ছেন।

সতর্কতা ও করণীয়:

১. পরিচ্ছন্নতা: খাওয়ার আগে ও পরে হাত ভালো করে ধুয়ে নিন।

২. বিশুদ্ধ জল: ফুটন্ত বা নিরাপদ জল পান করুন।

৩. ওআরএস (ORS): ডায়রিয়ার ক্ষেত্রে শরীরকে জলশূন্যতা থেকে বাঁচাতে ওআরএস বা নুন-চিনির জল খেতে হবে।

৪. চিকিৎসকের পরামর্শ: যদি সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়, বিশেষ করে অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের ক্ষেত্রে, তবে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

এই তথ্যগুলো সাধারণ সচেতনতার জন্য। কোনো গুরুতর সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

PREV

Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News

Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Aloe Vera: উজ্জ্বল ত্বক আর ঘন চুল পেতে চান? কাজে লাগান এই ৫টি উপায়
এই ড্রাই ফ্রুটস খেলে শরীরে আসবে ঘোড়ার মতো শক্তি