আমাদের লোহিত রক্তকণিকায় থাকা আয়রনযুক্ত প্রোটিন হলো হিমোগ্লোবিন। এটি শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুব জরুরি। কারণ হিমোগ্লোবিন তৈরিতে আয়রন সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেয়।
27
আমরা যখন আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাই, শরীর তা দ্রুত শুষে নেয়। এরপর সেই আয়রন কাজে লাগিয়ে শরীর নতুন লোহিত রক্তকণিকা তৈরি করে। এভাবেই রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ে এবং তা সঠিক জায়গায় বজায় থাকে।
37
পালং শাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। শরীর খুব সহজেই এই শাক থেকে আয়রন শুষে নিতে পারে। রোজকার ডায়েটে পালং শাক রাখলে লোহিত রক্তকণিকা বাড়ে, যা হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি মেটাতে দারুণ কাজ করে।
47
যেকোনো ডালে শুধু আয়রন নয়, থাকে প্রচুর পরিমাণে ফোলেট। হিমোগ্লোবিন তৈরিতে এই ফোলেট খুব দরকারি। তাই রোজকার খাবারে ডাল বা মুগ ডাল রাখলে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ার পাশাপাশি শরীরও সুস্থ থাকে।
57
কুমড়োর বীজে আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ভরপুর মাত্রায় থাকে। রোজকার স্ন্যাকস হিসেবে কুমড়োর বীজ খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়ে। পাশাপাশি এটি আমাদের সার্বিক স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও সাহায্য করে।
67
ডার্ক চকোলেটে প্রচুর আয়রন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এটি হিমোগ্লোবিন বাড়াতে এবং শরীর চনমনে রাখতে সাহায্য করে। তবে এতে ক্যালোরি বেশি থাকায়, ডার্ক চকোলেট সবসময় পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।
77
সূর্যমুখীর বীজে আয়রন, ভিটামিন ই এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো জরুরি পুষ্টিগুণ থাকে। রোজকার খাবারে এই বীজ যোগ করলে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা দ্রুত বাড়ে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও দারুণ উপকারী।