Fasting Diet: উপোসের সময় সাবু, তেলে ভাজা আলু বা মিষ্টি বেশি খেলে গ্যাস-অম্বলের সমস্যা হতে পারে। উপোস করে সুস্থ থাকতে চাইলে, পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া জরুরি।
উপোস করাটা যেমন ধর্মীয় দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। উপোস মানে শুধু না খেয়ে থাকা নয়, বরং সাত্ত্বিক খাবার খাওয়া। কিন্তু উপোসের নামে আমরা এমন কিছু খাবার বেশি খেয়ে ফেলি, যা গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং পেট ফাঁপার মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে। সামনেই উৎসবের মরসুম, তাই জেনে নিন কোন খাবারগুলি পরিমিত পরিমাণে খাবেন।
26
সাবুদানা (Sabudana) - কার্বোহাইড্রেট বেশি
উপোসের সময় সাবুর খিচুড়ি বা বড়া খুবই জনপ্রিয়। কিন্তু সাবুদানায় প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে। এটি বেশি খেলে শরীরে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্যালোরি জমা হয় এবং পেট অনেকক্ষণ ভারী লাগে। তাই সাবু খাওয়ার সময় সঙ্গে চিনেবাদাম বা দই মিশিয়ে খেলে ভালো।
36
আলু (Potato) - পরিমিত পরিমাণে খান
উপোসের সময় আলুর চিপস বা তেলে ভাজা আলু খুব বেশি খাওয়া হয়। খেতে সুস্বাদু হলেও, অতিরিক্ত তেল আর ক্যালোরি অ্যাসিডিটির কারণ হতে পারে। তাই আলু তেলে ভাজার বদলে সেদ্ধ করে খেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
এই ধরনের আটা দিয়ে তৈরি লুচি বা পকোড়া হজম করা বেশ কঠিন। এতে তেলের পরিমাণ বেশি থাকায় শরীর অলস লাগে এবং পেট ভারী হয়ে যায়। এর বদলে কম তেলে তৈরি চিলা বা রুটি খেতে পারেন।
56
ড্রাই ফ্রুটস (Dry Fruits) - এক মুঠোই যথেষ্ট
আমন্ড, কাজু, কিসমিসের মতো ড্রাই ফ্রুটস পুষ্টিগুণে ভরপুর। কিন্তু এগুলিতে ক্যালোরি ও ফ্যাটের পরিমাণও বেশি থাকে। বেশি খেলে কারও কারও পেট ফাঁপা বা হজমের সমস্যা হতে পারে। তাই দিনে এক মুঠো ড্রাই ফ্রুটস খাওয়াই যথেষ্ট।
66
অতিরিক্ত মিষ্টি একদম নয়
উপোসের সময় চিনি দেওয়া পানীয় বা মিষ্টি বেশি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়। এর ফলে কিছুক্ষণ পরেই ক্লান্তি বা আরও বেশি খিদে পেতে পারে। প্রাকৃতিক মিষ্টির জন্য তাজা ফল খান। উপোসের সময় শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা খুব জরুরি। বেশি করে জল পান করুন এবং তাজা ফলকে অগ্রাধিকার দিন। পরিমিত খাবার খেয়ে আপনি ভক্তি ও স্বাস্থ্য, দুটোতেই ভারসাম্য রাখতে পারবেন।