সকালে ব্রাশ করার সময় যে ভুলটা আমরা অজান্তেই করে ফেলি। সকালে ঘুম থেকে উঠেই দাঁত ব্রাশ করা আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাস। কিন্তু দাঁত পরিষ্কার করতে গিয়ে অজান্তেই এমন কিছু ভুল করে বসি, যা দাঁত ও মাড়ির ক্ষতি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ব্রাশ করলেই হবে না,জানতে হবে সঠিক পদ্ধতিও।
27
খুব জোরে দাঁত ঘষা: অনেকেই মনে করেন, জোরে ব্রাশ করলেই দাঁত বেশি পরিষ্কার হবে। কিন্তু অতিরিক্ত চাপ দিয়ে ব্রাশ করলে দাঁতের এনামেল ক্ষয়ে যেতে পারে এবং মাড়িতে অস্বস্তি বা ক্ষত তৈরি হতে পারে। তাই নরম ব্রিসলের ব্রাশ ব্যবহার করে আলতো হাতে দাঁত পরিষ্কার করা উচিত।
37
দ্রুত ব্রাশ শেষ করা: তাড়াহুড়ো করে কয়েক সেকেন্ড ব্রাশ করলেই দাঁতের সব অংশ পরিষ্কার হয় না। সাধারণভাবে দিনে দু’বার, প্রতিবার অন্তত দুই মিনিট ব্রাশ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
47
জিভ পরিষ্কার না করা: দাঁতের পাশাপাশি জিভের উপরেও ব্যাকটেরিয়া ও খাবারের অবশিষ্টাংশ জমতে পারে। তাই নিয়মিত আলতোভাবে জিভ পরিষ্কার করাও মুখের পরিচ্ছন্নতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
57
ব্রাশ করার পর জোরে কুলি করা: ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহারের পর সঙ্গে সঙ্গে প্রচুর জল দিয়ে কুলি করলে দাঁতে লেগে থাকা ফ্লোরাইড ধুয়ে যেতে পারে। তাই ব্রাশের পর অতিরিক্ত কুলি না করাই ভালো।
67
দীর্ঘদিন একই ব্রাশ ব্যবহার: ব্রাশের ব্রিসল বেঁকে গেলে বা ক্ষয়ে গেলে সেটি বদলে ফেলা উচিত। সাধারণত প্রতি তিন থেকে চার মাস অন্তর ব্রাশ পরিবর্তনের পরামর্শ দেওয়া হয়। বেশিদিন একই ব্রাশ ব্যবহার করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি পর্যন্ত বাড়তে পারে।
77
দাঁতের যত্নে দামি পণ্যের চেয়ে নিয়মিত ও সঠিক অভ্যাস বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন সঠিক পদ্ধতিতে ব্রাশ করা, ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার এবং নিয়মিত দাঁতের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া—এই অভ্যাসগুলিই দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।