ব্লাড প্রেশার ঠিক রাখতে পটাশিয়াম খুব জরুরি একটি খনিজ। এমন কিছু খাবার আছে যা পটাশিয়ামে ভরপুর এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে দারুণ সাহায্য করে। দেখে নিন তেমনই ৭টি খাবারের তালিকা।
স্বাস্থ্যকর রক্তচাপ বজায় রাখতে পটাশিয়াম একটি অপরিহার্য খনিজ। এই খনিজটি শরীরকে সোডিয়ামের প্রভাব থেকে রক্ষা করে। এখানে এমন ৭টি খাবারের কথা বলা হল, যা পটাশিয়ামে ভরপুর এবং বিপি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
28
গাজরে পটাশিয়াম ছাড়াও ভিটামিন এ, সি এবং ই রয়েছে। এই ভিটামিনগুলিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় তা হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। গাজর খেলে রক্ত সঞ্চালন উন্নত হয় এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে।
38
ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে বেদানার রস দারুণ কার্যকর। বিশেষ করে যাদের উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন আছে, তাদের জন্য এটি খুব উপকারী। বেদানার রসে পলিফেনল নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা রক্তনালীকে শিথিল করে এবং রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে।
টমেটো তার পুষ্টিগুণের জন্য রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। টমেটোর রসে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং লাইকোপিন থাকে। লাইকোপিন হল একটি উদ্ভিজ্জ রঞ্জক, যার ১৫টি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রভাব রয়েছে।
58
কমলালেবুর রসে হেস্পেরিডিন এবং নারিরুটিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এগুলি শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন কমলালেবুর রস পান করলে রক্তচাপ কমে।
68
ডাবের জল পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।
78
দুধ পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিনের একটি ভাল উৎস। এতে এমন কিছু যৌগও রয়েছে যা ঘুম ভাল করতে সাহায্য করে।
88
অ্যাভোকাডোতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকায় এটি রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এটি রক্তনালীর টান কমায় এবং সোডিয়ামের মাত্রা ভারসাম্য রাখে। সপ্তাহে অন্তত দু'বার অ্যাভোকাডো খেলে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি ১৭% কমে এবং হার্টের স্বাস্থ্য ভাল থাকে।