ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন জানাচ্ছে, ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী প্রায় ৫৮৯ মিলিয়ন মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। অনেকেই ওষুধ খেয়েও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন না। কারণ ডায়েট, শরীরচর্চা, ঘুম ও মানসিক চাপ সুগার লেভেলকে প্রভাবিত করে।
29
রক্তে শর্করার মাত্রাকে অনেক কিছুই প্রভাবিত করে।
জীবনযাত্রায় পরিবর্তন এনেও যখন ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে আনা যায় না, তখন ডাক্তাররা ওষুধ দেন। 'ডায়াবেটিস জার্নাল' বলছে, রক্তে শর্করার মাত্রাকে অনেক কিছুই প্রভাবিত করে।
39
রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।
সঠিক ওষুধে ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকলেও, হঠাৎ ওঠা-নামা করলে আরও সতর্ক হতে হবে। এর জন্য রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা ছাড়া উপায় নেই।
49
রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কিছু কারণ।
নয়ডার মেট্রো হসপিটাল অ্যান্ড হার্ট ইনস্টিটিউটের ইন্টারনাল মেডিসিন কনসালট্যান্ট ডা. অক্ষয় চুগ বলছেন, শুধু ওষুধ খেলেই সুগার নিয়ন্ত্রণে থাকে না। খাবার, ব্যায়াম, ঘুম, মানসিক চাপ এবং সংক্রমণও ব্লাড সুগারকে প্রভাবিত করে। তাই ওষুধ খাওয়ার পরেও অনেকের সুগার বেড়ে যায়।
59
সাদা ভাত, মিষ্টি এবং চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন।
বেশি প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে। সাদা ভাত, মিষ্টি, চিনি দেওয়া পানীয় এবং বেকারি খাবারে প্রচুর পরিমাণে এই ধরনের কার্বোহাইড্রেট থাকে। তাই এগুলি খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।
69
ভুল সময়ে ওষুধ খেলে ব্লাড সুগার লেভেল প্রভাবিত হতে পারে।
'ডায়াবেটিস জার্নাল' জানাচ্ছে, নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধ না খেলে ব্লাড সুগারে আকস্মিক পরিবর্তন আসতে পারে। ভুল সময়ে ওষুধ খেলে রক্তে শর্করার মাত্রার ওপর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে।
79
ব্যায়ামের অভাবে ব্লাড সুগার লেভেল বাড়তে পারে।
শরীরে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকলে অগ্ন্যাশয় বেশি ইনসুলিন তৈরি করে। কিন্তু রক্তনালী তা ঠিকমতো শুষে নিতে পারে না। ওজন বাড়লে বা শরীরচর্চা কমলে ডায়াবেটিস আরও বাড়তে পারে।
89
ঘুমের অভাবে ব্লাড সুগার হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে।
'কিউরিয়াস জার্নাল' অনুযায়ী, ঘুমের গুণমান খারাপ হলে বা ৭-৯ ঘণ্টা ঘুম না হলে ইনসুলিন সেনসিটিভিটি প্রভাবিত হয়। টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা প্রায়শই ঘুমের সমস্যায় ভোগেন, যা তাদের জীবনযাত্রার মান কমিয়ে দেয়।
99
জ্বর, সংক্রমণ বা অন্য অসুস্থতা শরীরে প্রদাহ তৈরি করতে পারে।
জ্বর, সংক্রমণ বা অন্য কোনও অসুস্থতার কারণে শরীরে প্রদাহ হতে পারে, যা গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ডায়াবেটিস থাকলে অসুস্থতার সময় ব্লাড সুগার লেভেল নিয়মিত মাপা খুব জরুরি।