Tirupati Laddu: তিরুপতির শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর মন্দিরের বিখ্যাত শ্রীভারী লাড্ডু সম্প্রতি ৩১১ বছর পূর্ণ করেছে। এই লাড্ডু কেন এত স্পেশাল? এর ইতিহাসই বা কী? আর বাড়িতে কীভাবে প্রায় একই স্বাদের লাড্ডু বানানো যায়? আসুন, জেনে নেওয়া যাক।
বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ভক্তের বিশ্বাসের সঙ্গে জড়িয়ে আছে তিরুপতি মন্দিরের শ্রীভারী লাড্ডু। সম্প্রতি এই প্রসাদ তার ৩১১ বছরের মাইলফলক ছুঁয়েছে। ভক্তরা এটিকে শুধু মিষ্টি হিসেবে দেখেন না, বরং ভগবান ভেঙ্কটেশ্বরের আশীর্বাদ হিসেবেই গ্রহণ করেন। তাই তিরুপতি দর্শনের কথা উঠলেই সবার আগে মনে আসে এই শ্রীভারী লাড্ডুর কথা।
25
তিরুপতি লাড্ডু কেন এত জনপ্রিয়?
তিরুপতি লাড্ডুর জনপ্রিয়তার কারণ শুধু এর স্বাদ নয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী রন্ধন প্রণালী এবং সেরা মানের উপকরণ এর আসল বৈশিষ্ট্য। এই লাড্ডু বানাতে বেসন, ঘি, চিনি, কাজু, কিশমিশ, এলাচ এবং মিছরির মতো জিনিস ব্যবহার করা হয়। শুধু তাই নয়, তিরুপতি লাড্ডু একটি GI (Geographical Indication) ট্যাগ প্রাপ্ত প্রসাদ, যা এর গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে "তিরুপতি লাড্ডু" নামটি অন্য কেউ ব্যবসায়িক স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে না। আসুন, সেই বিখ্যাত স্বাদের কাছাকাছি একটি লাড্ডুর সহজ রেসিপি জেনে নিই, যা আপনি বাড়িতেই বানাতে পারবেন।
35
বাড়িতে বানাতে প্রয়োজনীয় উপকরণ
এটি তিরুপতি লাড্ডুর স্টাইলে বাড়িতে বানানোর একটি রেসিপি। উপকরণ: বেসন – ২ কাপ চালের গুঁড়ো – ২ টেবিল চামচ (বੂੰদিয়া মুচমুচে হওয়ার জন্য) চিনি – ২½ কাপ ঘি – ½ কাপ কাজু – ¼ কাপ কিশমিশ – ২ টেবিল চামচ মিছরি (ঐচ্ছিক) – ২ টেবিল চামচ এলাচ গুঁড়ো – ½ চা চামচ এক চিমটে খাওয়ার কর্পূর (ঐচ্ছিক; শুধুমাত্র ফুড গ্রেড) খাবার সোডা – এক চিমটে তেল বা ঘি – ভাজার জন্য প্রয়োজন মতো জল
প্রথমে বেসন, চালের গুঁড়ো আর এক চিমটে খাবার সোডা একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার জল দিয়ে ভাজার মতো একটি ব্যাটার তৈরি করুন। গরম তেল বা ঘিয়ে বুঁদিয়ার ঝাঁঝরি দিয়ে ছোট ছোট বুঁদিয়া ভেজে তুলে নিন। অন্য একটি পাত্রে চিনি আর সামান্য জল দিয়ে এক তারের শিরা তৈরি করুন। এরপর এতে ভাজা বুঁদিয়া, এলাচ গুঁড়ো, ঘিয়ে ভাজা কাজু, কিশমিশ, মিছরির টুকরো এবং ইচ্ছে হলে এক চিমটে খাওয়ার কর্পূর দিয়ে ভালো করে মেশান। মিশ্রণটি হালকা গরম থাকতে হাতে ঘি মাখিয়ে গোল গোল করে লাড্ডুর আকারে গড়ে নিলেই তৈরি।
55
এই টিপস মানলে স্বাদ আরও ভালো হবে!
বুঁদিয়া খুব বেশি মুচমুচে করে ভাজবেন না, নরম করে ভাজলে লাড্ডুর স্বাদ ভালো হয়। চিনির শিরা যেন সঠিক এক তারের হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা খুব জরুরি। কাজু আর কিশমিশ ঘিয়ে হালকা ভেজে মেশালে গন্ধ ও স্বাদ দুটোই বাড়বে। সামান্য মিছরি যোগ করলে তিরুপতি লাড্ডুর মতো স্বাদ পেতে সাহায্য করবে। দ্রষ্টব্য: এটি তিরুপতি দেবस्थानমের আসল শ্রীভারী লাড্ডুর রেসিপি নয়। এটি শুধুমাত্র সেই স্বাদের কাছাকাছি যাওয়ার জন্য বাড়িতে চেষ্টা করার মতো একটি "তিরুপতি লাড্ডু স্টাইল" রেসিপি।