
বাজারে আসা কুকিং স্প্রে স্বাস্থ্য সচেতন বাঙালির হেঁশেলে জায়গা করে নিলেও রগরগে লুচি-কষা মাংসের ঐতিহ্যবাহী স্বাদে তা পুরোপুরি থাবা বসাতে পারবে না। রোজকার ওমলেট বা পরোটায় কুকিং স্প্রে ব্যবহার করা হলেও, সর্ষের তেলের রান্নার স্বাদ বা ডুবো তেলে ভাজা লুচির আভিজাত্য স্প্রে দিয়ে পাওয়া সম্ভব নয়।
* স্বাস্থ্য ও কু-অভ্যাস: কুকিং স্প্রে ব্যবহার করলে খাবারে ক্যালোরি এবং চর্বি অনেকটা কমে, যা স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য খুব ভালো। তবে কষা মাংসের স্বাদ ওই তেলের ওপরেই নির্ভর করে।
* ব্যবহারের পার্থক্য: লুচি-কষা মাংসের মতো ট্রেডিশনাল খাবারের ক্ষেত্রে যেখানে ডুবো তেল বা ঘি প্রয়োজন, সেখানে স্প্রে দিয়ে কাজের কাজ হবে না। তবে সাধারণ রান্না যেমন- প্যানকেক, চিল্লা বা ওমলেট তৈরির ক্ষেত্রে স্প্রে ব্যবহার করা যেতে পারে।
* স্বাদ ও ঐতিহ্য: বাঙালিদের খাবারের অভ্যাস অনেকটা ঐতিহ্যবাহী। ডুবো তেলে ভাজা গরম লুচি এবং মশলাদার কষা মাংসের কম্বিনেশন বাঙালির কাছে আবেগের। এই স্বাদের জায়গায় কুকিং স্প্রে কোনোভাবেই সর্ষের তেল বা ঘিয়ের জায়গা নিতে পারবে না।
* সুবিধা ও অসুবিধা: কুকিং স্প্রে ব্যবহার করা অনেক সহজ এবং এতে তেল কম লাগে, যা স্বাস্থ্যকর। তবে, খুব বেশি পরিমাণ তেল প্রয়োজন হলে এটি ব্যবহারিক নয়, বরং এটি খুব পাতলা স্তর তৈরি করে।
* উপসংহার: কুকিং স্প্রে স্বাস্থ্য সচেতন বাঙালির রান্নাঘরে জায়গা করে নেবে, কিন্তু তা হয়তো কষা মাংসের বদলে রোজকার হালকা খাবারের জন্য।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, কুকিং স্প্রে আধুনিক হেঁশেলের একটি টুল, কিন্তু বাঙালি লুচি-কষা মাংসের সাথে এটি কখনোই ঐতিহ্যগত স্বাদ বা টেক্সচার তৈরি করতে পারবে না। তবে আজকালকার দিনে স্বাস্থ্য সচেতন মানুষের কাছে এটি একটি দারুন বিকল্প।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News