
ডিমের হলুদ অংশের নাম কুসুম (Yolk) হলে, সাদা অংশের বৈজ্ঞানিক নাম অ্যালবুমেন (Albumen) বা শ্বেতাংশ। এটি মূলত উচ্চমানের প্রোটিনের একটি স্বচ্ছ ও ঘন তরল স্তর যা কুসুমকে ঘিরে রাখে এবং ভ্রূণকে সুরক্ষা দেয়। কুসুমের তুলনায় এটিতে ফ্যাট বা ক্যালোরি একেবারেই নেই, যা স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য খুব উপকারী।
ডিম তো স্বাস্থ্যকর। তবে প্রশ্ন হলো, ডিমের কোন অংশটি বেশি স্বাস্থ্যকর—সাদা নাকি হলুদ অংশ? এর উত্তর জানিয়েছে ভারতীয় বিখ্যাত গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া। আসুন, জানি উত্তরটি।
ডিমকে বলা হয় পুষ্টির পাওয়ারহাউস। প্রোটিন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি ও প্রয়োজনীয় মিনারেলে ভরপুর এই খাবারটি সঠিকভাবে খেলে শরীর পায় একাধিক উপকার। তবে পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকদের মতে, ডিমের সঙ্গে কিছু নির্দিষ্ট খাবার একসঙ্গে খেলে তার উপকারিতা আরও বহুগুণে বাড়ে।
* বিশুদ্ধ প্রোটিন: ডিমের সাদা অংশে প্রায় ৯০% জল এবং ১০% প্রোটিন (যেমন ওভ্যালবুমিন) থাকে। এটি শরীর গঠন ও পেশি মজবুত করতে সাহায্য করে।
* কম ক্যালোরি ও ফ্যাট মুক্ত: যারা ওজন কমাতে চান বা কম ক্যালোরির খাবার খোঁজেন, তাদের জন্য সাদা অংশ সেরা। এতে ফ্যাট এবং কোলেস্টেরল নেই বললেই চলে।
* হৃদরোগের ঝুঁকি কম: সাদা অংশে কোলেস্টেরল না থাকায় এটি হৃদরোগীদের জন্য নিরাপদ।
* পুষ্টিগুণ: এতে প্রচুর পরিমাণে সেলেনিয়াম, ভিটামিন বি২ (রিবোফ্লাভিন) এবং প্রোটিন থাকে, যা শরীরের শক্তি জোগায়।
কুসুম বনাম সাদা অংশ : সাদা অংশে উচ্চমানের প্রোটিন থাকলেও, কুসুমে থাকে আয়রন, ভিটামিন এ, ডি, ই, কে এবং প্রয়োজনীয় ফ্যাট । প্রথম আলো এবং কালবেলা-র তথ্যমতে, স্বাস্থ্যকর জীবনের জন্য পুরো ডিমটিই (সাদা ও হলুদ অংশ) খাওয়া ভালো। তবে অতিরিক্ত ওজন বা কোলেস্টেরলের সমস্যা থাকলে কুসুম এড়িয়ে সাদা অংশ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
সারসংক্ষেপ: ডিমের সাদা অংশের নাম অ্যালবুমেন। এটি পেশি গঠনের জন্য চমৎকার এবং এতে ফ্যাট নেই, যা ওজন কমাতে ও হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News