
বইমেলা শেষ হয়ে গেলেও শীত আর ফুরোয় না। অতএব হয়ে যাক কড়াইশুঁটির কচুরি। শুধু কচুরিই বা কেন, এই কড়াইশুঁটি দিয়ে মুড়ি খেতেও তো মন্দ লাগে না। এখন যদিও সারা বছরই ফ্রোজেন আকারে পাওয়া যায়, তবুই শীত থাকতে থাকতে বরং আশ মিটিয়ে খেয়ে নেওয়া যাক কড়াইশুঁটি।
কড়াইশুঁটি ভিটামিন, মিনারেল, অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট, ফাইবার ও প্রোটিনে ভরপুর। হাফকাপ বা ১৭০ গ্রাম কড়াইশুঁটি থেকে পাওয়া যায় ৬২ ক্য়ালোরি, কার্বোহাইড্রেট ১১ গ্রাম, ফাইবার ৪ গ্রাম, প্রোটিন ৪ গ্রাম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-কে, থায়ামিন, ফোলেট, ম্য়াঙ্গানিজ ও ফসফরাস। রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য় করে কড়াইশুঁটি। গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ার কারণে ব্লাড সুগার বেড়ে যাওয়ার প্রতিহত করে। এছাড়া, ফাইবার আর প্রোটিন বেশি পরিমাণে থাকায় ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য় করে কড়াইশুঁটি। ফাইবার বেশি পরিমাণে থাকায় হজম প্রক্রিয়ার সহায়ক। বিভিন্নরকম পেটের সমস্য়ায়, যেমন ইনফ্লেমাটরি বাওয়েল জিজিজ, ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম ও কোলন ক্য়ানসারের ঝুঁকি কমায়। পটাশিয়াম, ম্য়াগনেশিয়ামের মতো হার্টের পক্ষে উপকারী মিনারেলস এতে থাকায়, হাই ব্লাডপ্রেশারের ঝুঁকি কমায়। তার সঙ্গে বিভিন্নরকমের হার্টের রোগকেও দূরে রাখতে সাহায্য় করে। ফাইবার বেশি থাকায় খারাপ কোলেস্টরল কমাতে সাহায্য় করে। এছাড়া, এরমধ্য়ে থাকা ফ্ল্য়াভোনলস, ক্য়ারিটোনয়েডস, ভিটামিন-সি, অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট থাকায়, স্ট্রোক ও হার্ট ডিজিজের ঝুঁকি কমায়। অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় কড়াইশুঁটি ক্য়ানসারের ঝুঁকি কমায়। ভিটামিন-কে থাকায় প্রোস্টেট ক্য়ানসারের ঝঁকি কমাতে সাহায্য় করে। কড়াইশুঁটিতে থাকা ম্য়াগনেশিয়াম, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-কে, ভিটামিন-এ আর ভিটামিন-সি থাকায়, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News