
বিশ্বায়নের যুগে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন বিষয়ের বিবর্তন ঘটে চলেছে। বাড়ছে লিভ-ইন সম্পর্কে থাকা কাপলদের সংখ্যা। পুরুষতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান বিয়ে থেকে দূরে সরে একসঙ্গে বাসা বাঁধছেন যুগলরা। সব কিছুরই সুবিধা, অসুবিধা দুটোই থাকে। লিভ-ইন সম্পর্কে থাকারও তাই দুটোই রয়েছে। একসঙ্গে থাকা মানে শুধুই সারা দিন প্রেম নয়। বরং পরস্পরের সঙ্গে মানিয়ে খাওয়া দাওয়া থেকে ভালো থাকা ও খারাপ থাকা সবটাই শেয়ার করে নেওয়া। আবার এই একসঙ্গে থাকার মধ্যে কী ভাবে নিজেদের মধ্যে স্পেস বজায় রাখতে হয় সেদিকেও নজর দিতে হয়। নিজেদের পছন্দ অপছন্দ, অভ্যেস সমস্তটাই ভাগ করে নিতে হয় লিভ ইন সম্পর্কে থাকতে গেলে।
আরও পড়ুনঃ বয়সে বড় মহিলাদের প্রতি আকৃষ্ট হন! প্রেমে পড়ার আগে এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন
আজ দেখে নেওয়া যাক লিভ ইন সম্পর্কে থাকার কী কী ভালো দিক রয়েছে-
১) একা থাকতে ভালো লাগে অনেকেরই। কিন্তু রোজ বাড়ি ফিরে নিজে তালা খুলে ঘরে ঢোকার অভ্যেস যাঁদের তাঁরা যদি কোনওদিন দেখেন ভিতর থেকে প্রিয়জন দরজা খুলে দিচ্ছে তাঁদের ভালোই লাগবে। সারাদিনের পরিশ্রমের পরে বাড়িতে কেউ অপেক্ষাকরে রয়েছে এই অনুভূতি বেশ ভালোই। সারা দিন কে কী করলেন তাও খেতে খেতে ভাগ করে নেওয়া যায়। এছাড়াও বিজ্ঞান বলছে, প্রিয়জনের পাশে ঘুমোলে উদ্বেগ কমে।
২) কারও সঙ্গে সারা জীবন কাটানোর পরিকল্পনা থাকলে অবশ্যই তাঁর সঙ্গে এক ছাদের তলায় থাকুন। দূর থেকে প্রেম করা আর এক বাড়িতে থাকার মধ্য়ে বেশ ফারাক রয়েছে। একসঙ্গে থাকলে আরকও ভালো করে মানুষ চেনা যায়। পরস্পরের সঙ্গে কতটা কম্প্যাটিবল তা বুঝতে পরস্পরের সঙ্গে থাকা জরুরি। তাতে বোঝা যায় এর সঙ্গে সারাজীবন কাটানো যাবে কি না।
আরও পড়ুনঃ প্রেম করলেও, বিয়ে করতে চান না সঙ্গী! পরিস্থিতি সামাল দিতে কী করবেন
৩) লিভ-ইন সম্পর্কে থাকলে একঘেঁয়েমি থেকে অনেকটাই রেহাই পাবেন।। সঙ্গী যদি সঙ্গেই থাকে তা হলে তাঁকে নিয়ে সিনেমা দেখুন। বা দুজনে একসঙ্গে বসে গান বাজনা করুন বা বই পড়ুন। সময় ভালো কাটবেই।
৪) বাড়িতে রাত জেগে ফোন ঘাঁটাঘাঁটি করলে বাবা মায়ের বকুনি খেতে হয়। সঙ্গীর সঙ্গে থাকলে একসঙ্গে রাত জেগে সিনেমা বা ওয়েবসিরিজ দেখতে পারেন। যাঁরা অ্যাডভেঞ্চার প্রেমী, তাঁরা মাঝ রাতেই বেড়িয়ে পড়তে পারেন। মাঝ রাত বা ভোর রাতে বেরিয়ে একসঙ্গে ছবি তুলুন। শীতের ভোরে কাঁপতে কাঁপতে একসঙ্গে চায়ে চুমুক দিন।
৫) লিভ-ইম সম্পর্কে থাকার আরও একটি সুবিধা হল সমস্ত দায়িত্ব আপনার একার কাঁধে থাকবে না। সমস্ত দায়দায়িত্ব ভাগ করে নিন।
৬) যাঁরা একমাত্র সন্তান তাঁদের লিভ ইন সম্পর্কে থাকা একটু বেশিই জরুরি। লিভ ইন থাকতে থাকতে কী ভাবে মানিয়ে চলতে হয়, ভাগ করে নিতে হয় তা শেখা যায়। আরও পরিণত হওয়া যায়। ফলে ভবিষ্যতে সারা জীবনের জন্য় একসঙ্গে থাকতে অসুবিধা হয় না।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News