
East Bengal FC News: ইস্টবেঙ্গলের স্প্যানিশ ডিফেন্ডার ন্যাচো মনসালভে (Nacho Monsalve) এখনও বেশিক্ষণ খেলেননি। কিন্তু তিনি যত না খেলেছেন, তার চেয়ে বেশি চোট পেয়েছেন। বারবার অনুশীলনে গরহাজির থাকছেন। এই পরিস্থিতিতে ন্যাচোর উপর আস্থা হারিয়েছেন লাল-হলুদের প্রধান কোচ অ্যান্টনিও লোপেজ হাবাস (Antonio López Habas)। তিনি ম্যানেজমেন্টকে ন্যাচোর পরিবর্তে অন্য কোনও বিদেশি ডিফেন্ডার খোঁজার পরামর্শ দিয়েছেন। ইস্টবেঙ্গলে এখনও ষষ্ঠ বিদেশি চূড়ান্ত হয়নি। ষষ্ঠ বিদেশি হিসেবে একজন স্ট্রাইকারকে দলে নেওয়া হবে বলে শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু ন্যাচোর চোট সব হিসেব বদলে দিয়েছে। কারণ, এই স্প্যানিশ ডিফেন্ডারকে ছেড়ে দিতে হলে বিপুল আর্থিক অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। সেই অর্থ দিতে হলে তারপর বিকল্প হিসেবে বিদেশি ডিফেন্ডার এবং বিদেশি স্ট্রাইকার নেওয়া সম্ভব হবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। কারণ, ইমামির সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নতুন কোনও বিনিয়োগকারী বা বড়মাপের স্পনসর পায়নি ইস্টবেঙ্গল।
গত মরসুমে ইস্টবেঙ্গলের সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার হিসেবে আনোয়ার আলির (Anwar Ali) সঙ্গী ছিলেন আর্জেন্টিনার (Argentina) কেভিন সিবিলে (Kevin Sibille)। অসাধারণ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সদস্য-সমর্থকদের মন জয় করে নেন কেভিন। কিন্তু চলতি মরসুম শুরু হওয়ার আগে তিনি ইন্দোনেশিয়ার (Indonesia) এক ক্লাবে যোগ দিয়েছেন। এই ডিফেন্ডারকে দলে ধরে রাখতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। এরপর কেভিনের পরিবর্ত হিসেবে ন্যাচোকে দলে নেওয়া হয়। এই স্প্যানিশ ডিফেন্ডারকে নিয়ে শুরু থেকেই সংশয়ে ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের সদস্য-সমর্থকরা। তাঁরা এখন প্রশ্ন তুলছেন, যে ডিফেন্ডার কেরিয়ারে বারবার চোট পেয়েছেন, তাঁকে কেন দলে নেওয়া হল? যে কোনও পেশাদার ফুটবল দলে নতুন কোনও ফুটবলারকে সই করানোর আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। ন্যাচোর ক্ষেত্রে সেই পরীক্ষা করানো হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্নও উঠছে।
বুধবার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এএফসি টুর্নামেন্টের ম্যাচে খেলতে নামছে ইস্টবেঙ্গল। এই ম্যাচে মাত্র তিনজন বিদেশি ফুটবলারকে পাচ্ছেন হাবাস।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।