
FIFA World Cup 2026 Updates: গত তিন দশকে বিশ্বকাপ ফুটবলে এশিয়ার (Asia) দলগুলির মধ্যে সবচেয়ে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া (South Korea) ও জাপান (Japan)। ২০০২ সালে নিজেদের দেশে আয়োজিত বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিল দক্ষিণ কোরিয়া। এশিয়ার প্রথম ও একমাত্র দল হিসেবে তারা বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে পৌঁছয়। সেমি-ফাইনালে অবশ্য জার্মানির (Germany) কাছে ০-১ হেরে যায় দক্ষিণ কোরিয়া। তারপর থেকে আর খুব বেশিদূর এগোতে না পারলেও, এবারের বিশ্বকাপে এশিয়ার অন্যতম ভরসা দক্ষিণ কোরিয়া। জাপান এখনও পর্যন্ত বিশ্বকাপে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের বেশি এগোতে পারেনি। তবে এবার জাপানের উপর প্রত্যাশার চাপ বেশি। ইউরোপ (Europe) ও লাতিন আমেরিকার (Latin America) দলগুলির চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও, লড়াই করতে পারে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান।
এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ এ-তে মেক্সিকো (Mexico), দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa) ও চেচিয়ার (Czechia) সঙ্গে আছে দক্ষিণ কোরিয়া। এই গ্রুপ থেকে নক-আউটের যোগ্যতা অর্জন করার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী এশিয়ার এই দল। গ্রুপ এফ থেকে জাপানও নক-আউটের যোগ্যতা অর্জন করার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। এই গ্রুপের বাকি দলগুলি হল নেদারল্যান্ডস (Netherlands), সুইডেন (Sweden) ও টিউনিশিয়া (Tunisia)।
এবারের বিশ্বকাপে সাফল্য পাওয়ার লক্ষ্যে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়েছে জাপান। গত পাঁচ বছর ধরে পরিকল্পনা করা হয়েছে। এবারের বিশ্বকাপে জাপানের দলে যে ফুটবলাররা আছেন, তাঁদের বেশিরভাগই ইউরোপের লিগে খেলেন। অতীতে কখনও জাপানের এত ফুটবলার একসঙ্গে ইউরোপের লিগে খেলেননি। জাপানের কোচ হাজিমে মোরিয়াসু (Hajime Moriyasu) দল নিয়ে আশাবাদী। কাওরু মিতোমা (Kaoru Mitoma) ও তাকুমি মিনামিনো (Takumi Minamino) চোট পেয়ে এবারের বিশ্বকাপে খেলতে পারছেন না। তবে তাতে সমস্যা হবে না বলেই আশাবাদী জাপান শিবির।
এবারের বিশ্বকাপেও দক্ষিণ কোরিয়ার সবচেয়ে বড় ভরসা সন হিউং-মিন (Son Heung-min)। দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে এই তারকার। এবারই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। সতীর্থদের সঙ্গে নিয়ে লড়াই করে দলকে সাফল্য এনে দেওয়াই সনের লক্ষ্য।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।