TMC Bank Account case:৮০৩ কোটি টাকার অ্যাকাউন্ট মামলায় কালীঘাট তৃণমূলকে স্বস্তি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দিলেন না বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।
অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কা খেল মমতাপন্থী তৃণমূল। চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দিলেন না বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।
28
হরিশ মুখার্জি রোডের ব্যাঙ্কে ৮০৩ কোটি
হরিশ মুখার্জি রোডের এক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে তৃণমূলের চারটি অ্যাকাউন্টে জমা রয়েছে মোট ৮০৩ কোটি টাকা। সেই অ্যাকাউন্টগুলিই বন্ধ করে দেয় পুলিশ। সেই অ্যাকাউন্টগুলির খোলার আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা।
38
আদালতের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল
অ্যাকাউন্ট বন্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যায় কালীঘাট তৃণমূল। মামলাটি ওঠে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে। কিন্তু বিচারপতির নির্দেশে রীতিমত ধাক্কা খেয়েছে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কংগ্রেস।
বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, কারা আসল তৃণমূল? সেই বিচার না হওয়া পর্যন্ত অ্যাকাউন্ট নিয়ে নতুন করে কোনও নির্দেশ দেওয়া হবে না। তবে তৃণমূলের খরচ চালানোর জন্য যে অন্যান্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে বলেও জানিয়েছেন বিচারপতি।
58
দৈনন্দিন কাজের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা
আদালত জানিয়েছে, অন্য বেসরকারি ব্যাঙ্কে বন্ধ অ্যাকাউন্টগুলি থেকে দৈনন্দিন কাজের জন্য টাকা তোলার ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই করা হয়েছে, নিয়োগ করা হয়েছে স্পেশাল অফিসারও। তাই হরিশ চ্যাটার্জি রোডের অ্যাকাউন্ট আপাতত খোলা যাবে না।
68
হলফনামা তলব সব পক্ষের কাছে
আদালতের নির্দেশ, অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত বক্তব্য হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে সব পক্ষকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীদের পাশাপাশি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীদেরও হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। রাজ্যকেও তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে নতুন করে।
78
তদন্তে উঠে এল বড় তথ্য
বিধাননগর সাইবার থানার তদন্তে জানা গিয়েছে, দেবরাজ চক্রবর্তী একাধিকবার ১০ কোটি করে টাকা দিয়েছেন ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে। লিপস আন্ড বাউন্সের তরফে দেওয়া হয়েছে ৩০ কোটি টাকা, সুমিত রায় দিয়েছেন ৭ কোটি। আদালতে এমনটাই দাবি করেছে রাজ্য। পাশাপাশি রাজ্যের বক্তব্য - দেবরাজ ও সুমিতের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সেগুলির তদন্ত চলছে।
88
পুজোর ছুটির পর পরবর্তী শুনানি
এই তিন জনই বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে রাজ্য। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে পুজোর ছুটির পরে।