Dilip Ghosh On Mamata Banerjee: বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আর বেশি দেরি নেই। মাস চারেক পরই বেজে যাবে ভোটের দামামা। তার আগেই তুঙ্গে শাসক-বিরোধী তরজা। কী বলছেন দিলীপ ঘোষ? বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…
‘’ওনার লোকেরাই তো এখানে এসআইআর চালাচ্ছেন। ডিএম থেকে আরম্ভ করে বিএলওরা তারাইবেই সমস্ত লক্ষ লক্ষ লোককে চিঠি দিয়ে তাদের কষ্টের মধ্যে ফেলেছে। সবই তো গভঃ অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল কর্মচারীরা। তিনি তাঁদের দিয়ে এই কাজ করিয়ে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে দোষী করার চেষ্টা চালাচ্ছে। বাকি রাজ্যে এই সমস্যা নেই। সুপ্রিম কোর্টের কথাও মুখ্যমন্ত্রী মানেন না।''
25
শিল্প প্রসঙ্গে দিলীপের মন্তব্য
‘’পনেরো বছরে ক-টা শিল্প হয়েছে সিঙ্গুরে। ক-টা লোককে চাকরি দিয়েছে। আগুন লাগলো কাদের গোডাউনে। এভাবে অবৈধ ভাবে ব্যবসা হবে। মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হবে।''
35
সেলিম ও হুমায়ুনের বৈঠক নিয়ে অকপট দিলীপ ঘোষ
ভোটের আগে অনেক কিছু হয়। ভাঙাগড়া, দলবদল হয়, সেই এক্সারসাইজ চলছে। রেজাল্ট কী হয় সেটা দেখা যাবে। এদিকে রাজ্য নির্বাচনের জন্য সচিবদের তালিকা।নির্বাচন কমিশন উত্তর না পেয়ে নিজেই তালিকা প্রকাশ করেছে। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘’রাজ্য সরকার চায় না এসআইআর হোক। যতরকম অসহোযোগিতা করার চেষ্টা করছে। নিজের পছন্দ মতো অফিসার দিতে পারত৷ সাদাধরণ মানুষকে ক্ষেপান হচ্ছে। এই যে এত মানুষকে ডাকা হচ্ছে সেটা দিল্লী ডাকছে না রাজ্য ডাকছে।''
২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪ টে কমিশন ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক। সেই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ আরও বলেন যে, ‘’উনি অনেকবার বৈঠক করেছেন। অভিষেক অনেকবার বৈঠক করেছেন। এটা করে লেনদি করছেন। নির্বাচন কমিশন যেটা ভাববেন করবেন।'' মমতা বন্দ্যােপাধ্যায়ের কথায় সিঙ্গুরের মানুষ পাশে আছে- এই প্রশ্নের জবাবে দিলীপ বলেন-''সেখানেই শেষ হবে সিঙ্গুরে।১৫ বছর ক্ষমতায় না থেকে যদি চাকরি ও শিল্প না হয় আর কবে করবেন? এখন তো বিদায়ের সময় চলে এসেছে।''
55
ডিজির আদালত অবমাননা
ট্রাইবুনালের নির্দেশ না মেনে ডিজির নাম। আদালত অবমাননা দায়ের রাজ্যের এই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘’আদালতের নির্দেশ যা দেবে তাই মানা উচিত।'' এছা়ড়াও রাজ্যজুড়ে বালি কেসে ইডির হানা। ‘’বালি-কয়লা, গরু নিয়ে এর আগেও বহু কেস হয়েছে বন্ধ হয়নি। প্রত্যেকবার নতুন লেকেরা টাকা দিয়ে কেউ খাদান হাতে পাননি৷ পুরনোরা হাতে পায়। আমার মনে হয় এইধরণের বেআইনি টাকা ব্যবহার করেই তৃণমূলের নেতারা করে খাচ্ছে। আমাদের মতে সাধারণ মানুষ তার দাম দিচ্ছে। বালির দাম বাড়ছে।''