৪৮ ঘণ্টা পর আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডে গ্রেফতার গুদাম মালিক। অন্যদিকে বাড়ল মৃত্যুর সংখ্যা। পূর্ব মেদিনীপুরে বাড়ি থেকেই অভিযুক্তকে ধরা হয়। সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের একটি দল মেদিনীপুরে হানা দিয়েছিল। মঙ্গলবার সন্ধেবেলা গঙ্গাধরকে আটক করে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। পূর্ব মেদিনীপুরে তার বাড়ি থেকেই অভিযুক্তকে ধরা হয়, বলে পুলিশ সূত্রের খবর।
25
পুলিশি অভিযানে গ্রেফতার
পুলিশ সূত্রের আরও খবর, তদন্তে নেমে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের একটি দল মেদিনীপুরে হানা দেয়। গঙ্গাধর দাস বাড়ি থেকে বেরোতেই তাকে আটক করা হয়। পরে বারুইপুর জেলা পুলিশের তরফে তাকে গ্রেফতরির কথা জানানো হয়েছে।
35
গ্রেফতার গুদামের মালিক
যদিও গুদাম মালিক এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার দায় চাপিয়েছেন মোমো সংস্থার ঘাড়ে। সূত্রের খবর, যে গুদামে আগুন লেগেছে সেখানে পুরো জমিটারই মালিক ছিলেন গঙ্গাধর। মোমো কোম্পানি ডেকরেটার্সের গোডাউন লিজে নিয়েছিল। অগ্নিকাণ্ডের পর গা ঢাকা দেন গঙ্গাধর।
অবশেষে পুলিশের তাকে গ্রেফতার করেছে। বুধবার অর্থাৎ আজই তাকে বারুইপুর আদালতে তোলা হতে পারে। মঙ্গলবার রাতে আনন্দপুরেরর ওই ঘটনাস্থল থেকে আরও কয়েকজনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত মোট ১৩ জনের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। নিখোঁজ ১৫ জনের অধিক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১৫ জনের পরিবারের তরফে নিখোঁজ অভিযোগ তাদের কাছে এসেছে। মঙ্গলবারই নতুন করে একটি নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের হয়েছে, নরেন্দ্রপুর থানায়।
55
রাজ্য সরকারের তরফে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা
এদিকে আনন্দপুরের ঘটনায় মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। চাকরি দেওয়ার সিদ্ধান্ত পরবর্তীকালে নেওয়া হবে বলে জানান রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘’আগে কারা মারা গেছে সেটা নিশ্চিত হোক। মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ অনুযায়ী, যেই অন্যায় করুক না কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।''