Murshidabad Crime News: রাতের অন্ধকারে হোটেল ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুনের অভিযোগ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো মুর্শিদাবাদে। ঠিক কী ঘটেছে? বিস্তারিত জানতে  পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Murshidabad Crime News: রাতের অন্ধকারে সামশেরগঞ্জে হোটেল ব্যবসায়ী এক যুবককে গুলি করে খুন। বুধবার রাতে সামসেরগঞ্জে খুন হয়ে গেলেন এক যুবক। পরপর কয়েক রাউন্ড গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে তাকে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে সামসেরগঞ্জের নতুন ডাকবাংলা সংলগ্ন নুর মোহাম্মদ কলেজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কের পাশে।

ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে? 

পরপর কয়েক রাউন্ড গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছে তাকে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে সামসেরগঞ্জের নতুন ডাকবাংলা সংলগ্ন নুর মোহাম্মদ কলেজ সংলগ্ন জাতীয় সড়কের পাশে। মৃত ওই যুবকের নাম রাহুল বিশ্বাস(৩৪)। তার বাড়ি সামসেরগঞ্জের তারবাগান এলাকায়। পেশায় হোটেল ব্যবসায়ী। আগে পাতার ব্যবসা করলেও এই মুহূর্তে বেশ কিছুদিন থেকে নূর মোহাম্মদ কলেজ সংলগ্ন এলাকায় হোটেল খুলেছিলেন তিনি।

ঘটনাস্থলে রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। প্রত্যক্ষদর্শী সঙ্গীদের দাবি, হোটেলে বসে থাকাকালীন সময় হঠাৎ অজ্ঞাত পরিচয় দুষ্কৃতী পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি করে রাহুলকে উদ্দেশ্য করে। সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয় এবং পালিয়ে যায় ওই দুষ্কৃতী। তড়িঘড়ি তকে স্থানীয় নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হলে জরুরি ভিত্তিতে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে রেফার করা হয়। যদিও রাস্তাতেই মৃত্যু হয় রাহুল বিশ্বাসের। এখনও পর্যন্ত খুনের আসল কারণ জানা যায়নি।

এদিকে ঘটনার পরেই শামসেরগঞ্জের নতুন ডাকবাংলা নূর মোহাম্মদ কলেজ সংলগ্ন এলাকায় ছুটে আসেন ফরাক্কার SDPO সহ পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। খুনের নেপথে কারণ খোঁজার চেষ্টা করছে পুলিশ। পাশাপাশি দুষ্কৃতীর সন্ধানেও তল্লাশি শুরু হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে।

অন্যদিকে, ভাড়াটিয়া বিল্ডিং থেকে উদ্ধার চারটি মৃতদেহ, গলাকাটা স্ত্রী ও দুই কন্যা—স্বামীর ঝুলন্ত দেহ ঘিরে চাঞ্চল্য ভগবানগোলায়। ভগবানগোলা থানার অন্তর্গত নিমতলা কুঠি বাড়ি বাগান এলাকায় একটি ভাড়াটিয়া বিল্ডিং থেকে একই পরিবারের চারজনের মৃতদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ মাস ধরে ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন মানিক বেপারী (৪০) তাঁর স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে। 

মঙ্গলবার সকালে বাড়ির ভেতর থেকে মানিক বেপারীর স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানের গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার হয়। একই সঙ্গে বাড়ির একটি ঘর থেকে স্বামী মানিক বেপারীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। 

পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, মৃত মানিক বেপারীর ভগবানগোলার স্বপনগড় মোড় এলাকায় একটি ফলের দোকান ছিল। তবে তাঁর স্থায়ী বাড়ি নদীয়া জেলায় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা এলাকা জুড়ে শোক ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। 

ঠিক কী কারণে এমন ভয়াবহ ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে ভগবানগোলা থানার পুলিশ। পারিবারিক অশান্তি নাকি অন্য কোনো কারণ, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনার তদন্তে নেমে আশপাশের বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।