Cal HC On Suvendu Adhikari: বিরোধীরা আক্রান্ত হলে তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্যকেই। ফের আদালতে ধাক্কা রাজ্য সরকারের। শুভেন্দু অধিকারীর মামলায় বড় আপডেট কলকাতা হাইকোর্টের। বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…
রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ অন্যান্য বিরোধী দলের নেতাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্যকেই। সোমবার এই সংক্রান্ত মামলায় স্পষ্ট নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চের।
25
কী বললেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি?
এই বিষয়ে সোমবার আদালতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ স্পষ্ট জানায় যে, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ বিরোধী দলের নেতাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব রাজ্যের। বিরোধী দলের কোনও নেতার উপর যাতে হামলার ঘটনা না ঘটে, তার দায়িত্ব রাজ্যকেই নিতে হবে। এমনটাই স্পষ্ট জানিয়ে দিলো আদালত।
35
কী কারণে আদালতে মামলা করেন শুভেন্দু?
সূত্রের খবর, অতি সম্প্রতি পুরুলিয়া থেকে সভা সেরে ফেরার পথে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সেই ঘটনার প্রতিবাদে চন্দ্রকোনা থানার বিট হাউসে অভিযোগ দায়ের করতে গেলে পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করায় সেখানেই ধর্নায় বসে পড়েন বিরোধী দলনেতা। দীর্ঘক্ষণ প্রায় ৬ ঘণ্টা পর অভিযোগ দায়ের করে তিনি থানা ছাড়েন। তারপর দিনই শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে পাল্টা এফআইআর দায়ের করা হয়। তাই হেনস্থা ও গ্রেফতারের আশঙ্কা করে পাল্টা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু অধিকারী।
জানা গিয়েছে, গত ২১ জানুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ শুভেন্দু অধিকারীকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেন। ও ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না বলে নির্দেশ দেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিআরপিএফ এবং রাজ্যের থেকে রিপোর্ট তলব করে কলকাতা হাইকোর্ট। গত বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানিতে শুভেন্দু অধিকারীর রক্ষাকবচ ২৯ জানুয়ারি থেকে বাড়ি ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করেন বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ।
55
মামলার পরবর্তী শুনানি কবে?
আরও জানা গিয়েছে যে, মামলার পরবর্তী শুনানি ১৮ ফেব্রুয়ারি। এছাড়াও এদিন শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার ঘটনায় বড় নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির। বিরোধী দলনেতা সহ বিরোধীদলের নেতাদের নিরাপত্তা দিতে হবে রাজ্যকেই। এবং ভবিষ্যতে যেন এই ধরনের ঘটনা না ঘটে, তা সুনিশ্চিত করার দায়িত্বও নিতে হবে রাজ্যকে। সোমবার স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল।