Asansol News: সরকারি বিদ্যালয়ে টাকার বিনিময়ে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তুলকালাম। কোথায় ঘটেছে এই ঘটনা? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন… 

Asansol News: হাতে আর বেশি সময় নেই। শুরু হয়ে গিয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। তারপরই ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে রয়েছে উচ্চ মাধ্যমিক। এই সময়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল জেলার এক সরকারি বিদ্যালয়ে। ঘটনাস্থল আসানসোলের হিরাপুর থানার মহাত্মা গান্ধী হিন্দি উচ্চ বিদ্যালয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অভিযোগ একটায়- টাকার বিনিময়ে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের অ্যাডমিট কার্ড বিলি করছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ঘটনার খবরে দ্রুত ওই স্কুলে ছুটে যায় পুলিশ।

তারপর কী হল?

জানা গিয়েছে, আসানসোলের সরকারি স্কুলে পুলিশ। সপ্তাহের প্রথম দিনে স্কুল খোলার পরিবর্তে গেটে পড়ল তালা। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তালা খোলার ব্যবস্থা করা হয়। এর আগে সংবাদ মাধ্যম এসেছে শুনেই গেটে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কারন শুনলে অবাক হবেন। সরকারি স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডের ফর্ম ফিলাপের সময় নেওয়া হয়েছে ২৫০ টাকা। এর পর আবার অ্যা়ডমিট কর্ড দেওয়ার সময় কারও কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে ৭০ টাকা। তো কারও কাছে ৯০ টাকা। আবার উপস্থিতির হার কম থাকলে দিতে হবে ১৫০ টাকা। অথচ কোথাও কোনো রশিদ নেই। নগদে টাকা নিলেও দেওয়া হচ্ছে না রশিদ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই উত্তেজনা ছড়ায় স্কুল চত্বরে। ছাত্রীবা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। খবর পেয়ে ছুটে আসে হিরা পুর থানার পুলিশ।

টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করল বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ?

এই বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ে কর্মরত আধিকারিকরা দায়িত্বে থাকা এবং টাকা নগদে নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। এবং রশিদ পরে দিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন। যদিও উপস্থিতির হার বাড়ানোর জন্য টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে বোর্ড এর নিয়ম অনুযায়ী। অ্যাডমিট কার্ডের জন্য নাকি ৫০ টাকা এবং ৭০ টাকা নাকি ভেনু চার্জ। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে- সরকারি স্কুলের পরীক্ষা সেন্টার পড়ে সরকারি স্কুলে। সেখানে ভেনু চার্জ কিসের? সরকারি জায়গায় নগদে বিনা রশিদ দিয়ে টাকা নেওয়া যায়? যদিও ঘটনার খবর জানাজানি হতেই স্কুলের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শিক্ষক ফোন করে জানান, ছাত্রীদের অ্যাডমিট কার্ড তোলার জন্য টাকা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। এখন দেখার প্রশাসনিক তদন্ত হয় নাকি? যদিও গোটা বিষয়টি নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।