দিলীপ ঘোষ যেখানে বিতর্কিত মন্তব্য যেন সেখানে। প্রাক্তন সাংসদ থেকে এখন তিনি রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের মন্ত্রী। তবুও যেন থামেনি তার কথার ফুলঝুড়ি। বুধবার নিউ টাউনের ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে ফের একাধিক ইস্যুতে মুখ খোলেন তিনি। কী বলেছেন দিলীপ ঘোষ? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।
25
দিলীপ ঘোষের মুখে মসজিদ থেকে মাইক খোলা ইস্যু
মসজিদ থেকে মাইক খোলার মামলা খারিজ হাইকোর্টে। এই বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘’বহু মসজিদ থেকে মাইক নামিয়ে নিয়েছে। অনেকেই নামিয়ে নিয়েছে। বিভিন্ন মন্দিরেও যে আওয়াজ হতো, তাও নির্দিষ্ট সময় বেঁধে ততটুকুই হচ্ছে। সরকার নীতিগত ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিনা কারণে শব্দদূষণ নয়। সবাই মেনে নিয়েছে। কোথাও অধিকার দেওয়া হয়নি কাউকে মাইক বাজাবার। কোন মসজিদে পুলিশের সাথে কথা বলে অনুমতি নিয়ে করা হয়েছে? তারপর কেউ কোর্টে গেলে স্বাভাবিক , সেতো হারবেই। সরকারকে চ্যালেঞ্জ করা, যারা করছে ঠিক করছে না।''
35
ঘুষখোর ধরো, জেল ভরো
দুর্নীতি কোথাও থেমে নেই। পশ্চিমবঙ্গে বাতাস যতদূর পৌঁছয়, সেখানে দুর্নীতি আছে। আর সমস্যা শুরু হয়েছে পুলিশ থেকে, পুলিশ সবথেকে বেশি করাপ্ট হয়েছে। করা হয়েছে। পুলিশ এর কাজ ছিল টাকা তুলে দেওয়া। সরকার কাউকে ছাড়বেনা।
কোর্ট যেমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেমন চলবে। আদালতে যখন কেস গেছে, আদালত যেমন ঠিক করবে তেমন হবে। কিন্তু স্পিকারের ক্ষমতা আছে, বিধানসভায় তিনি ডিসিশন নিতে পারেন। অনেক তথ্য তার কাছেও আছে। সব তথ্য এক্সপোজ করাও হয়না। অনেক কিছুই গোপন থাকে, সেই অধিকার স্পিকারের আছে। বাকিটা বিচার্য।
55
ঋতব্রতকে নিয়ে আর কী বললেন দিলীপ ঘোষ
সূত্রের খবর, আপাতত বিধানসভার বিরোধী দলনেতা থাকছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই। মঙ্গলবার বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি মামলায় স্পিকারের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চও। মামলা বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের সিঙ্গল বেঞ্চেই ফেরত পাঠালেন বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করার স্পিকারের সিদ্ধান্ত সঠিক কিনা, তা আগামী দু'মাসের মধ্যে শুনানি করে নির্দেশ দেবে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের সিঙ্গল বেঞ্চ। জানিয়ে দিলেন বিচারপতি শম্পা সরকারের ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চের চূড়ান্ত নির্দেশ না আসা পর্যন্ত স্পিকারের এই সিদ্ধান্ত অস্থায়ী সিদ্ধান্ত হিসেবেই গণ্য হবে বলেও জানিয়ে দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।