
Mamata Banerjee vs Suvendu Adhikari: বিধানসভা নির্বাচনে (2026 West Bengal Legislative Assembly election) দ্বিতীয় দফার ভোটের দিন সকালে নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বেরিয়ে বিজেপি (BJP), নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India), কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ পর্যবেক্ষকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ভোটে রিগিং, সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে। মমতার দাবি, 'তৃণমূল কংগ্রেসের সব পতাকা খুলে ফেলা হচ্ছে। বহিরাগতরা এসে ভবানীপুরে সন্ত্রাস চালাচ্ছে। ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলরকে বাড়ি থেকে বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না। বেছে বেছে তৃণমূল কর্মীদের তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এটা কি গুন্ডারাজ? এভাবে কি ভোট হয়?'
এদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছেন ভবানীপুরের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মমতা। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, 'আমরা সকলে চাই নির্বিঘ্নে ভোট মিটুক। তবে বাইরে থেকে অনেক পুলিশ অফিসার নিয়ে এসেছে। তারা বাংলাকে বোঝে না। গতকাল রাতে সারা বাংলাজুড়ে অত্যাচার করেছে। আমি সারারাত জেগেছিলাম। পর্যবেক্ষকেরা থানায় গিয়ে গিয়ে চাপ সৃষ্টি করছে। শুধু আমাদের দলকে নিশানা করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, সব তৃণমূলের এজেন্টকে গ্রেফতার করো। আমার দলের যুব সভাপতিকে আজ সকালেই গ্রেফতার করেছিল। পরে ববি (ফিরহাদ হাকিম) গিয়ে ছাড়িয়ে আনে। মাঝরাতে গিয়ে ববির বাড়ি গিয়ে দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে। মহিলারা আতঙ্কিত।'
মমতার দাবি, ফিরহাদের বাড়িতে রাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে পুলিশ পর্যবেক্ষক গিয়েছিলেন। এই ঘটনায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বুধবার সকালে চেতলায় গিয়ে ফিরহাদের সঙ্গে কথাও বলেন মমতা। তিনি বলেছেন, মঙ্গলবার সারারাত জেগে পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছেন। বিভিন্ন জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের নিশানা করছে বলেও অভিযোগ করেছেন মমতা। তিনি স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন, যেভাবে ভোট চলছে, তাতে তিনি একেবারেই খুশি নন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।