
আজ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী। এই বিশেষ দিনে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে তাঁরা কবিগুরুর প্রতিকৃতিতে মালা দেন। এই ব্রিগেডেই আজ পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা।
এদিন ব্রিগেডে পৌঁছনোর পর প্রধানমন্ত্রী জনতার উদ্দেশে হাত নাড়েন। আজই রাজ্যের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনিই পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচিত হয়েছেন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর শুভেন্দু অধিকারীকে পরিষদীয় দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। এরপর থেকেই দলের নেতারা তাঁকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। তিনিই যে রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন, তা প্রায় নিশ্চিত ছিল। শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করতে চলেছেন।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, শুভেন্দুর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গ এবার 'সোনার বাংলা' হয়ে উঠবে। তাঁর কথায়, “আমি খুব খুশি। শুভেন্দুদার নেতৃত্বে আমরা বাংলাকে ‘সোনার বাংলা’ বানাব। এই সাফল্য সকলের মিলিত চেষ্টার ফল।”
বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মতে, এই পদের জন্য শুভেন্দুই “একদম সঠিক” পছন্দ। তিনি বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে বিধানসভার ভেতরে ও বাইরে শুভেন্দু অক্লান্ত লড়াই করেছেন। অগ্নিমিত্রা বলেন, “আমরা অত্যন্ত খুশি যে ২০৭ জন বিজেপি বিধায়ক মিলে শুভেন্দু অধিকারীকে বেছে নিয়েছেন। গত পাঁচ বছর ধরে উনি যেভাবে বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে লড়াই করেছেন, তাতে ওঁর চেয়ে ভালো আর কে হতে পারত? আমাদের ২০৭ জন বিধায়ককেই দিনরাত কাজ করতে হবে। বিশ্রামের কোনও সুযোগ নেই। আগামী পাঁচ বছরে আমাদের সেই কাজ করে দেখাতে হবে, যা পশ্চিমবঙ্গ গত ৫০ বছরে পায়নি।”
প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০৭টি আসন জিতেছে। অন্যদিকে, ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন।